না, ঠিক মুভির রিভিউ না এটা। নাম দেখে আবার না কেউ এটাকে মুভিটার রিভিউ ভেবে বসেন, তাই শুরুতেই বলে নিলাম। আসলে ছবিটার কাহিনীটা কেন যেন আমার কাছে আনেকটা বাস্তব বলে মনে হল। আমার এক বন্ধু কয়েকদিন আগে বলছিল, লাভ ইজ আ কমপ্লিট বুলশিট। কথাটার বিপক্ষে আমি সেদিন বেশ অনেকক্ষন অনেক কিছু বলেছিলাম। আজ মুভিটা দেখার সময় কেন যেন মনে হচ্ছিল সত্যিই, লাভ ইজ আ কমপ্লিট বুলশিট। কেন আমিও এটা মনে করলাম কয়েকটা ঘটনা এখানে বললে হয়তো অনেকেই বুঝবেন। তবে শুরুর আগে বলে নেই, নামগুলো কাল্পনিক।
আমার বেশ কাছের একজন মানুষ,নাম মুহিব। মুহিবের ফ্রেন্ড সার্কেলের একজন, সৌরভ। সৌরভের দীর্ঘ ছয় বছরের প্রেম। মেয়েটাও ওদের দুজনের ফ্রেন্ড সার্কেলের একজন। সে হিসেবে সাধারনত যা হয়, সবধরনের আড্ডা, দুষ্টামি সবকিছুতেই মেয়েটাও ওদের একজন হয়ে থাকে। কিন্তু তা হলেও সবাই জানে সৌরভ আর মেয়েটার ব্যাপারটা মোটামুটি ফাইনাল।ওরা শুধু না, দুই পরিবারও জানে ব্যাপারটা এবং তাদের মতামতও আছে এ ব্যাপারে। হয়তো আর বছর দু একের মধ্যে তারা পরিনয়সুত্ত্রে আবদ্ধ হত। এখন আসা যাক মুহিবের ব্যাপারে। মুহিব অন্যদের তুলনায় একটু চঞ্চল প্রকৃতির, আমুদে। সারাক্ষন জোকস, একে ওকে পচানোর মাধ্যমে সবাইকে আনন্দ দেবার জন্য তার জুড়ি নেই। আর সবার মত মেয়েটাও মুহিবের আড্ডাবাজি আর চঞ্চলতাটাকে উপভোগ করতো, হয়তোবা তা অন্যদের থেকে একটু বেশিই। যা হোক, প্রেমে ঝগড়াঝাটিটা স্বাভাবিক, তাই সৌরভ আর মেয়েটার মাঝেও ঝগড়া নিতান্ত কম হত না। ঐ সময়টাতে মেয়েটাকে হাসাত মুহিব, আড্ডা দিত।ব্যাপারটাকে কেউই দোষের কিছু দেখতো না। আমার মনে হয় বুদ্ধিমান ক্যাডেটজাতি এতক্ষনে ঘটনা বুঝে ফেলছেন। আপনারা যা বুঝছেন ঘটনা তাই ঘটছে। কিছুদিন পর মেয়েটা মুহিবের সাথে সিরিয়াস, আর সৌরভ পড়াশুনার নামে বিদেশ। বর্তমান আপডেট, মুহিব দুই বছর প্রেমের পর বুঝতে পারলো তার পরিবার এটা মেনে নিবে না কেননা মুহিবের পরিবার ওর ফ্রেন্ড সার্কেলের সবাইকে ভালমত চেনে। এমনকি মেয়েটির আর সৌরভের ব্যাপারেও জানে। তারা চাচ্ছেন না, যে মেয়েটাকে তারা নিজেরা বয়ফ্রেন্ড নিয়ে এতদিন ঘুরতে দেখেছে সেই মেয়েটাই আবার তাদের বাড়ীর বউ হয়ে আসুক। ফলাফল আবার ব্রেক আপ! এখন আপনারেই বলেন, আসলে ভালবাসাটা কোথায়?
এবার অন্য প্রসঙ্গে আসি। আমার ক্যাডেট কলেজের বাহিরের এক বন্ধু, ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ে। ছুটি গেলে প্রায়ই আড্ডা দিতাম ওর সাথে। প্রায় প্রতিবারই সে আমাকে তার নতুন নতুন গার্লফ্রেন্ডদের ছবি দেখাত এবং তাদের নিয়ে বিভিন্ন রসাত্মক গল্প শোনাত। ফ্যাক্ট হল আপনারা আপনার বন্ধুদের মাঝেও এমন অনেক উধাহরন পাবেন। তাহলে কি সত্যি লাভ ইজ আ বুলশিট?
আরো কয়েকটা ঘটনা বলব ভাবছিলাম, কিন্তু অনেক ফালতু বকলাম মনে হচ্ছে।ধুর, ঘুমাইতে যাই।…… ওহ যাওয়ার আগে আমার অনেক পছন্দের একটা গান…..



(৫ভোট, ৩.৪০/ ৫)
৬২ টি মন্তব্য
:-)
but i love love story
[ জবাব দিন ]
হ ধরা খাইতে দেখলে আর লাইক করবা না।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
দোস্ত, তুইও এখানে আসছস, জানান দিস না ক্যান?
[ জবাব দিন ]
হ জেরিন আপু,অখন তো আপনেরি মজা পাও্যার দিন…………………
[ জবাব দিন ]
সেহরী খাওয়া হল?
কি গান দিলা রে ভাই বড়ই সুন্দর! আহা, কি solo!!
যাই হোক, সামাজিক অনেক বাধাবিপত্তির কারণে প্রকৃত ভালবাসা থাকতেও আমরা আপন করে নিতে পারিনা। এটা সমাজ ব্যবস্থার গোঁড়ামীর দোষ। সাপোর্ট না করে উপায়ও নেই।
আর প্রথম প্রেম ভোলার নয়, হুমায়ুন আজাদ সাহেব যতই বুলি ঝাড়ুক না কেন….
[ জবাব দিন ]
প্রায় বছর বাদে প্রথম হলাম
[ জবাব দিন ]
প্রায় বছর বাদে প্রথম হওয়ার জন্য
[ জবাব দিন ]
……ভাই পরথম হন্নাই, ধরা খাইছেন দেহেন ।।।
[ জবাব দিন ]
না লগাইলে নিতাম না!!!!
আমি-ই ফার্স্ট
[ জবাব দিন ]
ভাইয়া লগানোর ভিসা তো আইজুদ্দিন পাই নাই !
তয় যত ই অজুহাত দেন কুনু লাভ নাই ,আমিই ফার্স্ট:-D:-D
[ জবাব দিন ]
আচ্ছা….. মাপ…. ছাইড়া দিলাম। ইনফ্যাক্ট, ইয়ে-নৌ, আমাড় আবাড় এসব ফাড়্স্ট হওয়া-হউয়ী নিয়ে কোনো প্রবলেইম-ই নেই নো নট এট অউল!!
[ জবাব দিন ]
উলটা কেইসও আছে।একেবারেই সাদামাটা,সাধারণ পরিবারের ছেলেকেও অতি উচ্চ পরিবারের শিক্ষিত,চাইলেই-যে-কোন-ধনীর-পুত্রকে-বগলদাবা-করিতে-পারিতো এইরকম মেয়ে পুরা উজাড় করে ভালোবাসে এইরকমও দেখছি।
যাই হোক,ফ্রেন্ডের গার্লফ্রেন্ডের দিকে নজর দেওয়া অতি জঘন্য কাজ,এই কাজ যে করে এবং এই কাজে যে সাড়া দেয় তাদের দুইটার কেউই নির্ভরযোগ্য হওয়ার কথা না(আমি তাদের জাজ করতেছিনা,শুধু তাদের উপর নির্ভর করা যায় কিনা সেইটা বলতেছি)।
বটমলাইন- লাভ ইজ নট বুলশিট।হাউএভার,ইটস এ পার্ট অফ লাইফ,নট দা হার্ট অফ ইট।এক-দুইবার ছ্যাঁকা খাওয়া খারাপ না,ওতে অভিজ্ঞতা বাড়ে,পরবর্তীতে সুবিধা হয়
হোয়াট ডাজ নট কিল য়ু মেকস য়ু স্ট্রঙ্গার
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
মাস্ফু, তুই নিশ্চয়ই অনেক সুবিধা পাইছোস!
[ জবাব দিন ]
আবার জিগায়!
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এখনও তো কোন সুবিধা পাইলাম না….খালি অভিজ্ঞতাই বাড়তেছে….
দিয়ে পোলাপাইনকে লাভ নাই….
[ জবাব দিন ]
সবাইরে গল্পটা পড়ার জইন্য অসংখ্য ধইন্যপাতা…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
মামা, নিটশে মাইরা দিলা…এই ভদ্রলোক মাস্টার্সে অনেক ভোগাইছেন
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
জানতে থাক…জানতে জানতে জানোয়ার হয়া যা
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আমরা কলেজে থাকতে বলতাম যে জানে সে জানোয়ার, আর যে আনে সে আনোয়ার।
[ জবাব দিন ]
এইগুলান ছিল আমাগো ক্লাস সেভেন এইটের জোক্স…
[ জবাব দিন ]
সেভেন এইটে তো কলেজেই ছিলাম, তাই না?
[ জবাব দিন ]
ঠিক ঠিক
[ জবাব দিন ]
সিনিয়রদের কাছ থেকে জোকসটাই শিখলা, আদব কায়দা কিসুসশিখতার্লানা
[ জবাব দিন ]
আদব কায়দাতো ধরেন গিয়া ক্যাডেটগো মইধ্যে, ইনবিল্ট থাকে। ঐটা শেখা লাগে না।
[ জবাব দিন ]
কঠিন কইলি মামা!!!!
[ জবাব দিন ]
ইমরান, তোমার দেখা ঘটনাগুলো লাভ স্টোরী না, ইলিউশান স্টোরী।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
কিন্তু আজকাল ওরকমটা না হলেও কাছাকাছি ঘটনাতো কম না জিতুয়াপ্পি…হোপলেস হয়া যাইতাছি।
[ জবাব দিন ]
জিতু আপু একদম খাটি কথা বলসেন,”ইমরান, তোমার দেখা ঘটনাগুলো লাভ স্টোরী না, ইলিউশান স্টোরী।” এটা কোনভাবেই ভালবাসা নয়। কিন্তু কাহিনি মজার
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
জিতু আপুর সাথে সহমত। এই গুলা লাভ স্টোরি ছিল না। তয় মাস্ফু ভাই এর কথাও সহমত…ভালোবাসা আছে আমগোর আশেপাশেই…খুঁজতে গিয়া দু-চার বার
খাওয়াটা খুব একটা খারাপ কিছু না…আবার আজীবন
নাম্বার পইরা গেলে পুবলেম…!!
[ জবাব দিন ]
গানটা খুব সুন্দর।
[ জবাব দিন ]
মিউজিক ভিডিওটা আরও সুন্দর।
[ জবাব দিন ]
বড়ই ভাল লাগে:
[ জবাব দিন ]
আমারও বিয়াপক লাগে…
[ জবাব দিন ]
মুভিটা অতি জঘন্য, মেয়ে চরিত্রটা খুবই দূর্বল। এতা বছরের ভালোবাসার পরে এইভাবে বাউন্স খাওয়া ঠিক না।
Love exists. Someone finds it, they are lucky. Others bullshit it because they don’t find it and envy.
[ জবাব দিন ]
ইমরান ভাই ধরা খাওয়ার পথেই ছিলাম কিন্তু আমারটা ইলউশান স্টোরি নাতো তাই আবার ঠিক হইয়াও গেসে
হে হে মরার মুখ থেকে ফেরত আসছি
[ জবাব দিন ]
welldone বেটা।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
তাইলে কি তুমি হেট ইষ্টরী লাভ কর?
[ জবাব দিন ]
নাহ, কইছি না ফালতু প্যাচাল! ওরকম কিছু না আপু।
[ জবাব দিন ]
ইমরান , লেখাটা পইড়া ভাল লাগল । তয় , ইদানিং এই রকম কাহিনী বেশি রকম বাইড়া যাইতেছে । এই রকম ২/১ টা উদাহরণ আমারও জানা আছে……আর একদিন কমুনে ।
মুভিটার বিষয়ে আসা যাক……মুভিটা দেইখা আমার মনে হইেছে যে মেয়েটা তার ফিয়ন্সিরে কখনো ভালবাসে নাই । বড়জোড় তাকে দেখে মেয়েটার মনে হইছিল যে হি ক্যান বি এ পারফেক্ট হাসব্যান্ড আর ফ্যামিলি ফ্রেন্ড এর ছেলে হওয়ায় তারা একে অন্যের কাছে জাস্ট available option ছিলো এবং মেয়েটা চেষ্টা করতেছিল যাতে ছেলেটাকে সে ভালবাসতে পারে ……যা কারনে সে কখনো মুখে বলে নাই যে সাদা না , বরং লাল ফুল সে বেশি পছন্দ করে
হয়তো অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক , তবে বিশ্বাস ও দায়িত্ববোধের মর্যাদা রাখার ক্ষেত্রে আগে না দেখে থাকলে the bridge on medison county এই মুভিটা দেখতে পারেন । মুভিতে মেরিল স্ট্রীপ অসাধারণ অভিনয় করেছেন ।
[ জবাব দিন ]
ঘটনা বুঝলাম না। এইরকম একখান ফোটু দিছি, তারপরও আমারে কি চিনেন নাই?
[ জবাব দিন ]
নাই……………………….কুনোখানেই নাই
………….
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আসে ভাই আসে এখনও দুনিয়াতে এই জিনিসটা
আসে তবে বিরল বুঝলা???
[ জবাব দিন ]
কই আছে>?দেহিনাতো??চশমার পাওয়ার বাড়ান লাগব নাকি>??
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আইছস তুই এতক্ষন পর, হালা ডজার কুনহানের
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
মাস্ফুদা, বৌদিকে কয়ে দেব কিন্তু…
[ জবাব দিন ]
মাসরুফ ভাই মানা করসে কে?? বিসমিল্লাহ বইল্লা নাইমা যান………
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]