random header image

তিন তিতলী

“মেঘ বলেছে যাবো যাবো” বইটি দ্বিতীয় বারের মত শেষ করেছি। সময়টা ২০০৭ সাল। আমি তখন নবম শ্রেনীতে। টার্ম এন্ড পরীক্ষা শেষ। ভ্যাকেশন আর চার পাঁচ দিন পর। এই সময়টা সবাই গল্পের বই পড়ে কাটায়। স্যার রাও কিছু বলেনা। হাতে কোন বই না থাকায় তৌফিকের কাছ থেকে নিয়ে এই বইটিই আবার পড়লাম। প্রথম পড়েছিলাম সপ্তম শ্রেনীতে। দ্বিতীয় বার পড়তে গিয়ে অজানা অনুভূতি টের পেলাম। তিতলী নামের মেয়েটির প্রেমে পড়লাম। এবং তা ভয়াবহ ভাবে। মাথার ভেতর তখন তিতলী তিতলী। বাস্তব জীবনে তিতলীকে খুঁজতে লাগলাম। খুঁজে পেলাম ২০০৯ সালে। ফেসবুক নামের ভার্চুয়াল জগতে। তিনজন তিতলীকে পেয়েছিলাম। একজন রংপুর ক্যান্টনমেন্ট কলেজের,একজন ফেনী গার্লস ক্যাডেটের এবং একজন ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেটের। তিন তিতলীর সাথেই আমার বিচ্ছিন্ন কিছু স্মৃতি আছে। এরমধ্যে প্রথম দুই তিতলী আমার ক্লাসমেট। সবেমাত্র ফেসবুকে একাউন্ট খুলেছি। সারাক্ষন অনলাইনে থাকি। রংপুরের তিতলীর সাথে আমার টুকটাক কথা হয়। আমি তাকে তেতুল নামে ডাকি। মোটামুটি মধুর সময়। একটা সময় ছুটি শেষ হয়। আমাকে ফিরে যেতে হয় ক্যাডেট কলেজে। তিতলী নামের ভূত তখনো মাথায়। ক্যাডেট কলেজে বসে লিখে ফেলি তিতলী নিয়ে চার লাইনের একটি কবিতা,

“তেতুল বনে উঠেছে জোছনা আবার নতুন করে
সেই জোছনা বিলিয়ে দিলাম তিতলী তোমার তরে
জোছনা হয়ে জড়াবো তিতলী তোমার এলো চুলে
জোছনা ভরা এই লগনে খোপা রেখো খুলে. . . .”

কবিতাটি তিতলীকে দিতে পারিনি। ছুটি শেষে বাসায় ফিরে দেখি তিতলী আমার ফ্রেন্ড লিস্টে নাই। থাকার কথাও না। দীর্ঘ তিন মাসের অনুপুস্থিতি একটা মানুষকে ভোলানোর জন্য অনেক। তাও যদি মানুষটা ভার্চুয়াল জগতের হয়। তিতলীরা কারো জন্যে অপেক্ষা করতে পারেনা। এক মুহূর্তের পাশে না থাকলে এরা অন্য কাউকে বেছে নেয়। অনেক কাল তিতলীর কোন খোঁজ নেই। হয়তো ভালোই আছে।

পরের দুই তিতলী সম্পর্কে অনেক কিছুই বলতে আমি অপারগ। সামাজিক এবং পারিপার্শ্বিক কিছু কারনে। ফেনীর তিতলী ছিল আমার ভালো বন্ধু। অন্য দুই তিতলীর সাথে ফেসবুকে পরিচয় হলেও এই তিতলীর সাথে পরিচয় মুঠোফোনে। ক্যাডেট হবার সুবাধে ভালো সম্পর্ক। মেয়েটিও ভালো। গান জানে। হুমায়ূন আহমেদ এর অন্ধ ভক্ত। অল্প দিনেই সম্পর্ক বেশ ভালো হয়ে যায়। তুই তোকারী সম্পর্ক। সুন্দর সময়। কোন এক ছুটি শেষে এসে দেখি সে আমার মুঠোফোন আর ধরেনা। এক দিন,দুই দিন,তিন দিন. . .একটা পর্যায়ে বুঝতে পারলাম সে আমার সাথে কথা বলতে চায়না। কাউকে জোড় করে কিছুই আমি করাইনা। আমিও ফোন দেইনা। একসময় ফেসবুকে তাকে পেয়ে যাই হুট করেই। আমার মুঠোফোন নম্বর নেয়। আবার কথা হয়। পেছনের অতীত ভুলে যাই। আবার বন্ধুত্ব। ইচ্ছে ছিল তিতলী নামের কোন মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব হলে তাকে মেঘ বলেছে যাবো যাবো বইটি উপহার দেব। তিতলীকে মনের কথা জানাই। সে ইচ্ছে পূরনের সুযোগ দেয়। তবে মেঘ বলেছে যাবো যাবো বইটি তার কাছে থাকায় সে অন্য বই দাবী করে। আমি তার জন্যে ‘তেতুল বনে জোছনা’ বইটি কিনি। বইয়ের মলাটে লিখে দেই সেই কবিতাটি,

তেতুল বনে উঠেছে জোছনা আবার নতুন করে. . . .

কবিতাটি তিতলী নিশ্চই পড়েছিল। কোন এক অজ্ঞাত কারনে তিতলী আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। কবিতা পড়ে তিতলীর অনুভূতি জানা আর হয়ে ওঠেনি। অনেক কাল পরে তিতলীর সাথে আমার হঠাত্‍ দেখা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে। প্রথম এবং শেষ দেখা। ঘটনার আকস্মিকতায় দুজনেই অবাক হই। অনেক কথার ভীড়ে হারিয়ে যায় আসল কথাটি। কবিতার কথা আর জিজ্ঞেস করা হয়না। একসময় হুট করেই তিতলীর কাছ থেকে বিদায় নেই। ফিরে আসার সময় হঠাত্‍ মনে হয়,তিতলীর মুঠোফোন নম্বরটা চাই. . . . . .অনেক কিছু ভেবে আর চাওয়া হয়ে ওঠেনা। কিছু ইচ্ছে অপূর্ন রেখে দিতে হয়। আবারো হয়তো আমাদের দেখা হবে,চলমান বাস্তবতায়,ঢাকা শহরের ব্যস্ত কোন রাস্তায়. . . .

তৃতীয় এবং সর্বশেষ তিতলী ছিল আমার চেয়ে বয়সে একবছরের বড়। নায়িকা টাইপ চেহারা। চোখে মুখে twilight এর বেলা বেলা একটা ভাব। খুব সাধারন ভাবে দেখেই বোঝা যায় এই মেয়ে ভীষন অহংকারী হবে। যার কাছে ছেলেরা কাগজের নৌকার মত। একটি গেলে খুব সহজেই আর একটি চলে আসবে। এক প্রকার ভয়ে ভয়েই তাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাই। একসেপ্ট ও করে। পরে জানতে পারি সে সে বাংলাদেশের মেয়েদের সবচেয়ে নিয়মতান্ত্রিক এবং আক্ষরিক অর্থে সেরা কলেজের অধিনায়ক। বিশাল ব্যপার। পার্ট থাকা স্বাভাবিক। আমি কবি মানুষ। ফেসবুকে তখন ছ্যাঁকা খাওয়া স্ট্যাটাস দেয়ার কারনে বন্ধু এবং পরিচিত মহলে প্রচুর টীজ খাই। খুব স্বাভাবিক ভাবেই তার সাথে কথা বলার দুঃসাহস করি। টুকটাক কথা হয়। হায়,হ্যালো পর্যায়ের। আমার চ্যাটের রিপ্লাই দেয় এটাই আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়।মেয়েটাকে যতটা অহংকারী ভেবেছিলাম ততটা না। কিছুটা শান্ত শিষ্ট কিছুটা চঞ্চল মেয়ে। ততদিনে আগের দুই তিতলী কারো সাথে আমার যোগাযোগ নেই। নতুন এক তিতলী,নতুন এক অনুভূতি। হঠাত্‍ করে মনে হয় এই সেই তিতলী যার প্রতিচ্ছায়া আমি মেঘ বলেছে যাবো যাবো বইতে পাই। এই প্রথম মনে হয় গল্পের কোন চরিত্রকে আমি বাস্তবে দেখছি। হুমায়ূন আহমেদ এই মেয়েকে দেখলেও হয়তো তাই বলতো। তিতলী আমার বড় হওয়ার সুবাধে আপু ডাকতে হয়। সবচেয়ে বড় ব্যাপার আমরা একটা নির্দিষ্ট কম্যুনিটির অর্ন্তভূক্ত হওয়ায় সিনিয়র জুনিয়র সম্পর্ক মেইনটেইন করতে হয়। তিতলী আপুর সাথে সম্পর্ক ভালোই হয়। মানুষকে কাছে টানার এক দারুন ক্ষমতা তার আছে। আর হয়তোবা এজন্যেই কলেজ জীবনে সে কলেজ অধিনায়ক হবার মত সম্মান টা পেয়েছে। তিতলী আপুর সাথে যত সহজে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে তত সহজেই তা ভেঙে যায়। প্রথম প্রথম তাঁর ওয়ালে কবিতা পোষ্ট করতাম। যেখানে তুমুল কমেন্টস এ আমরা মেতে উঠতাম। এরপর কোন এক ছুটিতে এসে দেখি তিনি আমার ফ্রেন্ডলিস্টে নেই। কারন কিছুটা অজ্ঞাত কিছুটা অনুমেয়।

অনুমেয় কারন গুলোকে কল্পনা স্তরেই রেখে দিয়েছি। আমি আর এর কারন ঘাঁটাতে যাইনি। কিছু রহস্য অমীমাংসিত থেকে যাওয়াটাই ভালো। এর অনেক কাল পরে একটি অনুষ্ঠানে তিতলী আপুর সাথে আমার দেখা হয়। বিশ্বাস আর অবিশ্বাসে মাঝামাঝি বাকরুদ্ধ এই আমাকে অবাক করে দিয়ে তিতলী আপু কৌতুহলের সুরেই জিজ্ঞেস করে, ক্যামন আছো কবি? আমাকে চিনতে পেরেছো?

তিতলীদের চিনতে অসুবিধা হয়না। হুমায়ূন আহমেদ তৈরি তিতলী উপন্যাসের কালি আর পাতাকে ছাড়িয়ে জীবন্ত হয়ে আছে এই বাংলার আকাশে বাতাসে। প্রতি পূর্নিমায় তিতলীরা জোছনা বিলাস করে। পাশে থাকে নতুন কেউ। আর তিতলী প্রেমী কবিরা লিখে যায় আপন মনে,

তেতুল বনে উঠবে জোছনা আবার নতুন করে
সেই জোছনা বিলিয়ে দেব তিতলী তোমার তরে
জোছনা হয়ে জড়াবো তিতলী তোমার এলো চুলে
ছোছনা ভরা এই লগনে খোঁপা রেখো খুলে. . . . .

অস্বচ্ছ জোছনার আবছায়া মায়াবী আলোয় তিতলীরা খোপা খুলে রাখে কিনা,মাঝেমাঝে জানতে ইচ্ছে. . . . .

৫ votes, average: ৩.৮০ out of ৫৫ votes, average: ৩.৮০ out of ৫৫ votes, average: ৩.৮০ out of ৫৫ votes, average: ৩.৮০ out of ৫৫ votes, average: ৩.৮০ out of ৫ (ভোট, ৩.৮০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

২৬ টি মন্তব্য

  1. আহমদ (৮৮-৯৪)
       জুলাই ২৮, ২০১২ at ৭:৪৮ অপরাহ্ন |

    ভাল লেখা।
    পড়ে বেশ লাগল।

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ২৮, ২০১২ at ৯:৫৫ অপরাহ্ন |

    ধন্যবাদ ভাই :)

    জবাব দিন

  2. মেহেদী (২০০৫-২০১১)
       জুলাই ২৮, ২০১২ at ৮:২৬ অপরাহ্ন |

    ভাইজান মনে হয় হুমায়ুন স্যারের ভাল ভক্ত।তার সাথে আপনার লেখার ধরনে মিল আছে।বইটা পড়ে আমারো খুব খারাপ :( লাগছিল।আসলে তিতলীরা এমন ই।পড়ে ভাল লাগল।

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ২৮, ২০১২ at ৯:৫১ অপরাহ্ন |

    অনেক ধন্যবাদ ভাই :)

    জবাব দিন

  3. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)
       জুলাই ২৯, ২০১২ at ১২:১০ পুর্বাহ্ন |

    হুমায়ুন আহমেদ আমাদের এক-দেড়টা জেনারেশনের রোমান্টিকতাকেও কেমন আচ্ছন্ন করে দিয়েছেন তা বুঝতে পারলাম একটু। এ মাদকতাময় রোমান্টিকতা হুমায়ুনের একবারে নিজস্ব স্টাইল (যা তিনি নিজের জীবদ্দশাতেই ক্লিশে আর ছিবড়ে করে ছেড়ে দিয়েছেন)।
    তোমার গদ্যও প্রবলভাবে হুমায়ুনগ্রস্ত।এটা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করো যদি লেখালেখি নিয়ে সিরিয়াস হও। হুমায়ুন পরবর্তী অজস্র হুমায়ুনদের একজন হয়ে থেকোনা।
    পুনশ্চ: উপদেশ অযাচিত লাগলে জানাতে দ্বিধা কোরোনা প্লিজ।

    জবাব দিন

  4. আহসান আকাশ (৯৬-০২)
       জুলাই ২৯, ২০১২ at ১২:৩১ পুর্বাহ্ন |

    উপন্যাসের পছন্দের নায়িকার নাম ধরে ফেসবুকে সার্চ! সেখান থেকে চেনা জানা, দেখা সাক্ষাত আবার বিচ্ছেদ!! রোমান্টিকতার কাছে মাফ চেয়ে গেলাম!!!

    গল্প হিসেবে ধরলে মোটামোটি লেগেছে।

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ২৯, ২০১২ at ১২:৪০ পুর্বাহ্ন |

    একাদশ দ্বাদশ শ্রেনীতে এই রোমান্টিকতা থাকাটা কি দোষের কিছু ভাই? আমি এখানে ক্রেডিট টা সম্পূর্ন ই হুমায়ূন আহমেদ কে দিতে চাই। যিনি পেরেছেন এমন চরিত্র তৈরি করতে। আর এটা একদম নিজের জীবনের ঘটে যাওয়া কাহিনী। লেখকের স্বাধীনতাও ব্যবহার করিনি। সম্পূর্নটাই তুলে দিয়েছি। তবে সামাজিক এবং পারিপার্শ্বিক কারনে অনেক কিছু বাদ দিতে হয়েছে। আর আমার লেখা রোমান্টিকতা কেন্দ্রিক। এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারছিনা. . . :(

    জবাব দিন

    আহসান আকাশ (৯৬-০২)
        জুলাই ৩০, ২০১২ at ১২:২৬ পুর্বাহ্ন |

    তোমার রোমান্টিকতাকে দোষ হিসেবে বলিনি, শুধু এর মাত্রাটা আমার নিজের বা আমার জানা রোমান্টিকতা থেকে অনেক উপরের, তাই ‘মাফ চেয়ে গেলাম’ এক্সপ্রেশন ব্যবহার করেছি। আর শুধু পছন্দের নাম ধরে ফেসবুকে সার্চ দিয়ে খুঁজে বের করে কারো সাথে যোগাযোগ তৈরী করাটাকে আমার কাছে ঠিক ‘রোমান্টিকতা’ মনে হয়নি, তাই এভাবে বলা। (অলরেডি ব্যাকডেটেট হয়ে গেলাম নাকি?)

    তোমার অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে থাকলে দুঃখিত ।

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ৩০, ২০১২ at ২:০৩ পুর্বাহ্ন |

    না ভাইয়া ঠিক আছে :) :) :)

    জবাব দিন

  5. রাব্বী (২০০৫-২০১১)
       জুলাই ২৯, ২০১২ at ১২:৩৫ পুর্বাহ্ন |

    লেখালেখি নিয়ে সিরিয়াস ভাইয়া। হাঁটতে শিখেছি হুমায়ূন পড়ে তাই চলতি পথে হুমায়ূনের এত ছায়া। হুমায়ূনগ্রস্ত ব্যাপারটাকে আমি অন্য ভাবে ব্যখ্যা দেই। একজন ভালো লেখককে অনুসরন করা যেতেই পারে তবে অনুকরন যেন না হয়। প্রথম জীবনে হুমায়ূন আহমেদ মানিক কে ফলো করতেন যা তাঁর অসংখ্য লেখায় আমরা পাই। আমরা যারা একেবারেই তরুণ লেখক তারা হুমায়ূন প্রচলিত ঢঙে বাংলা ভাষাকে উপস্থাপন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। রবীন্দ্রপরবর্তী যে পঞ্চকবি তাঁর ছায়া থেকে বের হয়ে এসে কাব্য রচনা করেছেন এর মধ্যে সফল শুধু জীবনানন্দ তাও মৃত্যুর অনেক অনেক বছর পর। আর বাকীরা বাংলা কাব্যকে মোটামুটি প্রতিবন্দী বানিয়ে রেখেছে। যার জন্যে আধুনিক কবিতা অনেকেই এড়িয়ে যায়। এ আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা. . .স্বকীয় স্টাইল আনতে বেশ কিছু সময় লাগবে। তাতেও হুমায়ূনীয় ঢঙ থাকবে। আর আমি মূলত কবিতা লেখক। গদ্যে আনাড়ি. . .আপনার মূল্যবান উপদেশ মেনে চলবো. . . :)

    জবাব দিন

    নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)
        জুলাই ২৯, ২০১২ at ১:০১ পুর্বাহ্ন |

    ছায়া থাকাটাতো খুবই স্বাভাবিক। সচেতনভাবে চেষ্টা করলে এর থেকে বেরিয়ে আসা যাবে নিশ্চয়ই। সেজন্যে আরো অনেকের লেখা পড়তে হবে, আর হুমায়ুনকে একেবার ভুলে যেতে হবে যদ্দিন না তুমি তাঁর প্রভাবটি কাটিয়ে উঠতে পারছো। একজন উঠতি লেখেকের জন্যে নিজস্ব স্টাইলটি খুঁজে পাওয়া খুব জরুরী। গুড লাক!

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ২৯, ২০১২ at ১:০৮ পুর্বাহ্ন |

    ধন্যবাদ ভাইয়া. . . :)

    জবাব দিন

    সামীউর (৯৭-০৩)
        জুলাই ২৯, ২০১২ at ৬:২০ অপরাহ্ন |

    হাঁটতে শিখেছি হুমায়ূন পড়ে

    :-o :-o :-o :-o

    জবাব দিন

  6. সাজেদ (২০০৪-২০১০)
       জুলাই ২৯, ২০১২ at ২:৪৬ অপরাহ্ন |

    খুব সুন্দর লাগল পড়ে। way to go bro……
    :) :clap:

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ২৯, ২০১২ at ৮:৫৬ অপরাহ্ন |

    :) :) :) :)

    জবাব দিন

  7. সামীউর (৯৭-০৩)
       জুলাই ২৯, ২০১২ at ৬:২১ অপরাহ্ন |

    তা, শুধুই কি তিতলী নাকি জরী, টেপি, রূপা, মৃন্ময়ীরাও আছে?

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ২৯, ২০১২ at ৮:৫৬ অপরাহ্ন |

    :D :D :D :D na vai…………… :D :D

    জবাব দিন

  8. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)
       জুলাই ৩০, ২০১২ at ৪:৪০ পুর্বাহ্ন |

    তোমাদের জীবনই আলাদা। ফেসবুক একটা বিশাল অংশ জুড়ে। অভিজ্ঞতা এবং সেইসাথে উপলদ্ধিগুলো পড়ে মজা পেলাম।

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ৩১, ২০১২ at ১২:০০ পুর্বাহ্ন |

    :) :) :) :) :)

    জবাব দিন

  9. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)
       জুলাই ৩১, ২০১২ at ১:০৫ পুর্বাহ্ন |

    পথে, বাসে বা ট্রেনেও আমরা প্রতিদিন কত কত মানুষের সংস্পর্শে আসি।আজকের যুগে সেসবের সাথে যোগ হয়েছে অন্তর্জাল যোগাযোগ। ফেসবুক আসার আগের সময়টাতে লোকজন খুব চ্যাট করতো। নানান চ্যাটরুম পাওয়া যেতো নেট এ ঢুকলে। নিজের পছন্দমতো একটাতে জায়গা করে নিয়ে সমমনা মানুষের সংগে কথা চালাচালি। এরকম অনেক বন্ধু হয়েছিলো আমার। এভাবে জেসিসির অমিতের সাথে পরিচয় হয়েছিলো আমার।ঢাকায় গেলে ওর সংগে দেখা করে একটা পুরো দিন কাটিয়েছিলাম।ওর অসম্ভব সুন্দর কন্ঠের সংগে পরিচয় ঘটেছিলো, ওর জীবনের গল্প শুনেছিলাম, আমার অবান্তর কথাসমূহও বলেছিলাম। আপাতভাবে অকেজো ওই একটি দিন এখনো আমার স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করে।

    চ্যাটরুমে এভাবে পরিচয় হয়েছিলো মৃন্ময়ীর সংগে, পরে চণ্ডীগড়, দিল্লী থেকে ওর সংগে ফোনে ঘন্টার পর ঘন্টা হা হা হি হি করেছি, ওর জীবনের কথা শুনে কেঁদে ফেলেছি, তাড়াতাড়া চিঠি চালাচালি করেছি।কলকাতায় দেখা করতে গিয়ে ওর আগেই ওর প্রেমিকের দেখা পেয়ে গেছিলাম। দুজনে মিলে কি বোকাটাই না বানিয়েছি ওকে প্রথম দেখা হবার মুহূর্তটিতে। কবি শঙ্খ ঘোষের এই ছাত্রীটি জীবনে কবিতাকে এমনভাবে ধারণ করেছে না দেখলে/জানলে কারো বিশ্বাস হবেনা।

    আরেকবার দিল্লীগামী ট্রেনে দেখেছিলাম পৃথাদিকে। উনাকে দেখেই কেন জানি মনে হয়েছিলো, আরো বহুবার আমাদের যোগাযোগ ঘটবে। উনার জীবনও আশ্চর্য আর অসহনীরকম দুঃখের।সত্যি ঘটেছিলো বহু যোগাযোগ।কলকাতার ঢাকাগামী বাস পর্যন্ত বিদায় দিতে এসেছিলেন। বাসে চড়ে বসার পর এসএমএস পেলাম: ‘আমাকে যেতে বললে না কেন তোমার দেশে!’ এ অভিমানের কি কোন জবাব হয়!

    এখন এত ব্যস্ত হয়ে গেছি, এত যান্ত্রিক হয়ে গেছি কারো সংগে পরিচিত হয়ে ওঠা হয়না কতকাল।না হলে অন্য একটি মানুষ, তার জীবন, তার বন্ধুত্ব সবসময়েই আমার জন্যে সবসময়েই উষ্ণ একটা ব্যাপার।রাব্বী, তোমার এই লেখাটা পড়ে মনের কোণে চাপা পড়ে থাকা সেই দিনগুলো চট করে জীবন্ত হয়ে গেলো।

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ৩১, ২০১২ at ৪:০৯ অপরাহ্ন |

    :) :) vaia amar o kharap laglo.aro onek kahini ache shomoy kore likhbo.ek time e mig 33 te chat kortam………….:)

    জবাব দিন

  10. ইমরান (১৯৯৯-২০০৫)
       জুলাই ৩১, ২০১২ at ৮:১৭ অপরাহ্ন |

    ঝরঝরে গল্প। ভালো লাগলো। চালিয়ে যাও ভাই। নুপুরদার কমেন্টটা পড়ে মনে হলো অনেক কিছুই মিস করলাম বোধহয় জীবনে।

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        অগাষ্ট ৩, ২০১২ at ৪:০০ অপরাহ্ন |

    :) :)

    জবাব দিন

  11.   তিতলী
       অগাষ্ট ১, ২০১২ at ১১:১৬ পুর্বাহ্ন |

    আগেই পড়েছি কিন্তু কি কমেন্ট করবো তা বুঝতে পারছিলাম না।
    গল্পের তিতলির সাথে আমার আসলেই কিছু মিল আছে। জানিস সেটা কি?

    জবাব দিন

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        অগাষ্ট ৩, ২০১২ at ৪:০০ অপরাহ্ন |

    কি আপু??????????????? :) :) :) :)

    জবাব দিন

  12. মুহাইসিন
       ডিসেম্বর ২২, ২০১২ at ১২:৩৩ পুর্বাহ্ন |

    চরম,ভাই………………।। :clap:

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard