random header image

টিউশনি পর্ব – ১

ছোটবেলায় আমরা যখন প্রাইভেট টিউটর কে জ্বালায়ে মাছভাজা করে ছেড়ে দিতাম,তখন ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করিনাই যে এক মাঘে শীত যায়না। এই মহা মুসিবত যে আমার ঘাড়েও চাপবে তা বুঝলে আমার টীচারদের জ্বালাতন করার তোড়জোড় একটু কমায়ে দিতাম। আমি তখন ক্লাস টু তে। । বাড়ির মানুষজনের শাসন আর চোখ রাঙ্গানি থোড়াই কেয়ার করতাম দেখে আমার মা ঠিক করল আমারে টিউটর দেবে। আমার মা অফিসে চলে গেলে আমি নিজেকে রাজা বাদশাহ গোত্রীয় ভাবা শুরু করতাম। পাড়া ঘুরে কারো বাসায় নাস্তা,কার বাসায় দুপুরের খাবার,তো কারো বাসা থেকে মুরগির রান চিবুতে চিবুতে টহল মারতাম, পড়ালেখাটাও একেবারে শিকেয় উঠেছিল বই কি! । আমাদের বাড়ির পাশেই মিশনারী স্কুল ছিল,ওইখানে কিছু স্টুডেন্ট আর টিচার আবাসিক ছিল। অবশেষে মিশন স্কুলের এক টিচার মা ঠিক করলেন আমার জন্য কারণ উনি শুনেছিলেন তারা নাকি একটু কড়া হয়,আর ওই টাই আমার জন্য নাকি উপযুক্ত মুগুর ।

শেষমেশ টীচার আসলেন, টিচার কে দেখেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। আমার ধারণা ছিল যে টিউটর মানেই চশমা পরা হাসি মুখের ম্যাডাম। পেল্লাই সাইজের গম্ভীর টাইপের টিচার দেখেই আমার ভিলেন ভিলেন লাগল। আমাকে পড়তে বসায় ,কার সাধ্যি ! এইভাবে সাতদিন ধরে টিচার আসতেন আর আমি বিদায় করে দিতাম,এমনকি একটু আধটু হুমকি ধামকিও দিয়েছিলাম ঠ্যাং ভেঙ্গে দেব বলে ! সাতদিন যাওয়ার পর ও যখন টীচার আমার বাড়ির পথ ছাড়লেন না ,আমি ঠিক করলাম একটা হেস্তনেস্ত করতেই হবে । টিচার আসতে দেখে এক ছুটে পাশের পচা ডোবা থেকে এক মগ পানি এনে ঢেলে দিয়েছিলাম টিচারের মাথায়। আর চরম একটা হুমকি দিয়েছিলাম ,আবার আসলে বিছুটি পাতা দিয়ে দেব গায়ে । সেইদিনের পর টিচার মনে হয় হাফ ছেড়ে বেঁচেছিলেন,আর আমিও। তবে যাওয়ার আগে টীচার আমার দাদীকে বলে গিয়েছিলেন, এইরকম ত্যাঁদড় পিচ্চি ইহজনমে উনি দেখেননি আর দেখবেন বলেও আশা রাখেননা ! ( পুরো ঘটনাটাই দাদির মুখে শোনা , আমার তেমন মনে নেই )

ওই টিউটর মনে হয় মনে বড়ই দুঃখ পাইছিলেন মনে ,এল্লিগা আমার টিউশনি গুলাও ছিল মনে রাখার মত ।একেকটার চেয়ে একেকটা কয়েক কাঠি সরেস। প্রথম প্রথম টিউশনি পাওয়ার জন্য ঝক্কি,সে তো একটা আছেই,বেতন বেশি তো ম্যালা দুর বাসা , বাসা কাছে তো বেতন কম,দুটাই ঠিক আছে তখন আবার দেখা যায় এক্কেবারে ন্যাদা পোলাপান পড়ানো লাগবে……যাইহোক অবশেষে কষ্টে সৃষ্টে প্রথম যে টিউশনি টা পাইলাম ওইটা আজিমপুর। কাছাকাছি আর মেয়ে ক্লাস সিক্সে পড়ে দেখে রাজি হয়ে গেলাম।  প্রথম দিন গিয়ে মাইয়ার মারে এক্কেরে ইম্প্রেসড করে ফেললাম( মেয়েকে ১ম /২য় করেই ছাড়ব টাইপ ডায়লগ মেরে) ।

পরদিন থেকে পড়ানো শুরু করলাম,মিনিট বিশেক গেসে,মেয়ে কয় কি,মিস আজ আর পড়বনা,অনেক্ষন পড়সি(!!)। আমি প্রথম দিন আর ঝাড়ি দিলাম না,বুঝায়ে শুনায়ে আবার পড়াইতে বসলাম ।একটু পর মেয়ে আমারে জিগায়, “মিস,ডু ইউ হ্যাভ এ বয়ফ্রেন্ড?” আমি তো পুরাই টাশকি।থতমত খেয়ে বললাম,না তো ।মেয়ে চোখ কপালে তুলে বলে, হোয়াট? ইউ আর সো ব্যাকডেটেড। আমি আরেকবার বেকুব হলাম।ক্লাস সিক্স এ পড়া ওই মেয়ে তখন যা বলল তার মর্মার্থ হল- আমি ক্লাস সিক্সে পড়ে বয়ফ্রেন্ড জুটায়ে ফেলসি আর আপনি এত বুড়ি হয়েও পারেন নাই? প্রেস্টিজ নিয়ে টান পড়ার কারনেই হোক আর মেয়ের কেরামতি দেখে ভয়ে পেয়েই হোক, আমি মোটামুটি চুপসানো বেলুনের মত একটা চেহারা বানায়ে আবার পড়ানোয় মন দিলাম । কিছুক্ষন পর আবার আমাকে বলে, ম্যাম , আপনি জানেন তো আমার বাবা যে ‘অমুক” কোম্পানির মালিক ( একটা বিখ্যাত কলম কোম্পানি) । আমি বললাম ,না তো ! পরে খেয়াল করে দেখি মেয়ের হাতে ইন্ডিয়ান “লিঙ্ক” কলম। আমার বাপের কলম ফ্যাক্টরি থাকলে তো আমি জীবনেও কলম কিনতাম না কিন্তু এই মেয়ের কাহিনী কিছুই বুঝলাম না। দিন কয়েক পর আমি এইটা আবিষ্কার করতে সক্ষম হইলাম, নিজের কলম ব্যাগ থেকে বের না করে অন্যের কাছ থেকে কলম ধার করে সংগ্রহ করা ওই মেয়ের অন্যতম হবি !

যাই হোক,এই মেয়ে কে পড়ানো আর গাধা পিটিমানুষ বানানো এক ই ব্যাপার।।দুই আর দুইয়ে যে চার হয় এইটা বের করতেও ক্যালকুলেটর চাপত। তবে স্বীকার করতেই হবে অসাধারণ স্মরণশক্তির জোরে এই মেয়ে একেকটা অঙ্ক হুবহু মুখস্থ করে ক্লাস সিক্সের মুখ দেখতে পেরেছে ! আমি কিছু বুঝিয়ে শেষ করার পর বেশিরভাগ সময় ই তাকিয়ে দেখতাম,  সে হয় জানালা দিয়ে তাকায়ে আছে আর না হয় বিশাল নখের দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকায়ে আছে আর নয়ত দীঘল কেশ নিয়ে খেলা করছে !! একদিন নিজের কেশরাশির সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে মুগ্ধ নয়নে একগোছা কেশ রাশি হাতে নিয়ে মেয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করে, মিস,আমার চেহারা সাথে ক্যাটরিনা কাইফের চেহারার অনেক মিল আছে না? আমি এক পলক তাকিয়েই বললাম, আরে তাই তো, এতদিন তো খেয়াল ই করিনিইইইই ! মেয়ে গম্ভীর একটা ভাব নিয়ে বলে, একচুয়ালি সি ইজ হট এন্ড কিউট, বাট নট প্রিটি। ম্যাম, ডোন্ট ইউ থিংক , আই এম প্রিটি? আমি হেহেহেহে মার্কা হাসি ঝুলায়ে মাথা নেড়ে সম্মতি জানালাম। কোনভাবেই দ্বিমত পোষণ করে একটা জ্ঞানগর্ভ সৌন্দর্য বিষয়ক বক্তৃতা শুনতে মোটেও আগ্রহী ছিলাম না ।

শুধু এই পিচ্চির বিনোদন ই যথেষ্ট না, তার আবার ছোট দুইটা ভাইবোন ছিল। টীচার দেখামাত্র ভাইটা ঢিশুম ঢিশুম গুলি করা হাউস অফ ডেথ আর না হয় ভি কপ খেলতে বসত। এই খেলাগুলার বস্তাপচা সাউন্ডে আমার ইচ্ছে করত জানালা দিয়ে ঝাঁপ মারি।তিন বছরের ছোট বোন টা ছিল আরো এক কাঠি উপরে। তার  জন্য প্রতিদিন চকলেট ( লাভ ক্যান্ডি) নিয়ে যেতে হত,না হলে ওই বিচ্ছু পিচ্চির জ্বালায় ওখানে থাকাই রীতিমত অসম্ভব ব্যাপার ছিল। যাহোক ,মাস দুয়েক যাওয়ার পর মেয়ের অসম্ভব প্রতিভার ফসল হিসেবে মিডটার্ম পরীক্ষায় যখন ডাব্বা মারল,তখন বুঝলাম,এখন মান সম্মান নিয়ে পালানোর সময় চলে আসছে।

এবার ধানমন্ডিতে দুই জমজ বোনকে পড়ানো শুরু করলাম। আমি জানতাম জমজ দের অসম্ভব মিল, এরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখতে একরকম আবার আচার আচরণেও নাকি অনেক মিল। কিন্তু এই দুইটা বিপরীত মেরু কেমনে কেমনে এক মায়ের পেটে এক লগে দশ মাস ছিল আল্লাহ মালুম। এক বোন ছিল মা্রাত্মক ব্রিলিয়ান্ট, আর আরেকটা ঠিক তার সমানুপাতিক গাধা। এদেরকে  ঘড়ি ধরে দুই ঘণ্টা পড়াইতে হইত। একদিন মাঝে ৫-৭ মিনিটের জন্য একটা রুম ছেড়ে বাইরে গেসে কি কারণে। পড়ানো শেষে যখন উঠতে যাব,তখই ওই মেয়ে বলে ,মিস, আমি ৫মিনিটস কম পড়েছি, প্লীজ কাভার ইট আপ । আমার তখন একটা কথাই মনে হইসিল,আল্লাহর দুনিয়ায় এই “আজিব জিনিস” গুলা কেমনে যে আমার কপালে জোটে !

২ votes, average: ৪.০০ out of ৫২ votes, average: ৪.০০ out of ৫২ votes, average: ৪.০০ out of ৫২ votes, average: ৪.০০ out of ৫২ votes, average: ৪.০০ out of ৫ (ভোট, ৪.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

৩৮ টি মন্তব্য

  1. ফজলে রাব্বি নোমান (৮৬-৯২)
       জুলাই ১৫, ২০১২ at ৯:৫৩ অপরাহ্ন |

    ভালই তো অভিজ্ঞতা ! :)

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৭:৫৯ অপরাহ্ন |

    :) :)

    জবাব দিন

  2. ফয়েজ (৮৭-৯৩)
       জুলাই ১৫, ২০১২ at ৯:৫৭ অপরাহ্ন |

    ছেলে পড়াও নাই একটাও? :)

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৮:০০ অপরাহ্ন |

    ফাও একটা পড়াইসি ভাইয়া :P , পরের পর্বে ওই পিচ্চির কাণ্ডকারখানা লিখব :)

    জবাব দিন

  3. তানভীর (২০০১-২০০৭)
       জুলাই ১৬, ২০১২ at ১:০৪ পুর্বাহ্ন |

    আপু, মজা পেলুম :( :( :(

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৮:০১ অপরাহ্ন |

    থ্যাঙ্কু :)

    জবাব দিন

  4. আহসান আকাশ (৯৬-০২)
       জুলাই ১৬, ২০১২ at ৬:১৭ পুর্বাহ্ন |

    মজা পেলাম, চালিয়ে যাও :thumbup:

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৮:০১ অপরাহ্ন |

    থ্যাঙ্কু ভাইয়া :)

    জবাব দিন

  5. আহমদ (৮৮-৯৪)
       জুলাই ১৬, ২০১২ at ১২:০১ অপরাহ্ন |

    আহারে টিউশনি! কত্ত কিছু মনে পড়ে যায়!

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৮:০১ অপরাহ্ন |

    শেয়ার করেন ভাইয়া ,একটা ব্লগ চাই :D

    জবাব দিন

  6. তপু (৯৯-০৫/ককক)
       জুলাই ১৬, ২০১২ at ৩:৪০ অপরাহ্ন |

    আমার টিউশনি এর অভিজ্ঞতও বেজাএ রকম খারাপ। একটা সটুডেনট এরো পারেনটস ভালো আসিলো না।
    যাই হোক ভালো লাগসে :)) :))

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৮:০২ অপরাহ্ন |

    খাইতে দিত না রে দোস্ত নাকি সারাক্ষন খিটিমিটি করত ? :P

    জবাব দিন

    তপু (৯৯-০৫/ককক)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ৯:৫৮ পুর্বাহ্ন |

    আরে সটুডেনট এর মা আইশা পাসে বৈসা থাক ত । কি জে বিরক্তকর ।আরেকটা বাসাই নাসতা দিত না। আম্মা জখন এ জান্তে পারলেন জে আমাকে নাসতা দেই নাই তখনি বলত ছেরে দে আইশব ফকিন্নিদের বাসায় জাwআর দরকার নাই।

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ১০:৪৬ পুর্বাহ্ন |

    :P :D =))

    জবাব দিন

  7. রিদওয়ান (২০০২-২০০৮)
       জুলাই ১৬, ২০১২ at ৩:৫২ অপরাহ্ন |

    আপু, আমি ছাত্রী পড়িয়ে যখনই হলে ফিরি, রুমমেটরা গম্ভিরভাবে আওয়াজ দেয়, “সুন্দর! সুন্দর!” :D
    কারন আমিও এককালে এক রুমমেটকে দিসি।

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৮:০২ অপরাহ্ন |

    :khekz: :khekz:

    জবাব দিন

  8. রিফাত আনজুম পিয়া (২০০৪-২০১০)
       জুলাই ১৬, ২০১২ at ৫:২৭ অপরাহ্ন |

    আপা,আমি একটা ফোরের মেয়েকে পড়াই।এরকম ওভার ম্যাচুউরড আর দুষ্ট মেয়ে আমি আমার লাইফে দুইটা দেখিনি :-? ! একদিন তাকে জোর করে পড়াতে গেছলাম সে বিরুক্ত হয়ে আমার মাথায় পেন্সিল দিয়ে বাড়ি দি্যে বলছিল , ‘I’ll piss on you’ !!!

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৮:০৩ অপরাহ্ন |

    ওরে মারে !! :no:

    জবাব দিন

    আহমদ (৮৮-৯৪)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৯:৫৬ অপরাহ্ন |

    :pira: :pira:

    জবাব দিন

  9. মীম (২০০৬-২০১১)
       জুলাই ১৬, ২০১২ at ৬:৪৭ অপরাহ্ন |

    আমি ক্লাস সিক্সের ১ মেয়েকে পড়াই। তাকে ইংলিশ শব্দের অর্থ বাংলায় বললে বুঝে না……হিন্দিতে বললে তারপর বুঝে। :bash: :bash:

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৮:০৩ অপরাহ্ন |

    তাইলে অবশ্যই আমি লাকি :-?

    জবাব দিন

    আহমদ (৮৮-৯৪)
        জুলাই ১৬, ২০১২ at ৯:৫৬ অপরাহ্ন |

    :just: :pira:

    জবাব দিন

    তপু (৯৯-০৫/ককক)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ১০:০০ পুর্বাহ্ন |

    অর মা মনে হই সারাখন হিন্দি সিরিআল দেখে। :D

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ১০:৪৭ পুর্বাহ্ন |

    শুধু কি ওর মা ? ও ই দেখে :-?

    জবাব দিন

  10. আহমদ (৮৮-৯৪)
       জুলাই ১৬, ২০১২ at ১০:০১ অপরাহ্ন |

    আমার এক ছাত্রকে তার প্যারেন্টস আমার কাছে পড়ানো বাদ দিইয়েছিলেন। যে অবস্থা যাচ্ছিল, তাতে হয়তো আমি নিজেই বাদ দিতাম। প্রায় দিনই পড়াতে গিয়ে দেখি ছাত্র বাসায় নেই। পরে তাকে তার প্যারেন্টস পড়াশুনায় মন বসানোর জন্য কোন এক হুজুরের কাছে নিয়ে যান। হুজুর নাকি বলেছিলেন যে ছেলেটার উপরে পরীর আছর হয়েছিল। :gulti: :no: :mad: :duel: :chup: :bash: :-B :-/ :-o

    জবাব দিন

    তপু (৯৯-০৫/ককক)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ১০:০২ পুর্বাহ্ন |

    আরে কিসুই না। পোলাডা মক্রা আসিল মনে হই । জিনের আসোর শুনছি কিন্তু পরির আসর????। :D

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ১০:৪৭ পুর্বাহ্ন |

    পরীর আছর :pira: :pira:

    জবাব দিন

  11. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)
       জুলাই ১৬, ২০১২ at ১১:১৫ অপরাহ্ন |

    চমৎকার। ভীষণ আনন্দ পেলাম তোমার অভিজ্ঞতা পড়ে।

    টিউশনি নিয়ে আমার মজার বা তিক্ত কোনো অভিজ্ঞতা নেই। একজনকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য পড়িয়েছিলাম। ছেলেটা মেডিক্যালে বাদ পরে। আর এক মেয়েকে পড়িয়েছিলাম “রাষ্ট্রবিজ্ঞান”। বিষ্মিত হয়ে প্রথম দিন জানতে চেয়েছিলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান শিক্ষক রেখে পড়তে হয়? :grr: (সম্পাদিত)

    জবাব দিন

    তপু (৯৯-০৫/ককক)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ১০:০৩ পুর্বাহ্ন |

    রাষ্ট্রবিজ্ঞান একটি গতিশীল বিজ্ঞান।

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ১০:৫০ পুর্বাহ্ন |

    হেহে , আমার এক স্টুডেন্ট ছিল ,যার ক্লাস টেনে ছয়টা টিউটর ছিল। হাছা কইতেছি। তার একটা টিচার ছিল গার্হস্থ্য অর্থনীতি আর ইসলাম শিক্ষার ;;;

    জবাব দিন

    আহমদ (৮৮-৯৪)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ১২:০৪ অপরাহ্ন |

    এটা স্টুডেন্ট-এর সমস্যা? নাকি প্যারেন্ট-দের সমস্যা?

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৮, ২০১২ at ৯:০৮ পুর্বাহ্ন |

    এখন মনে হয় বেশি টিউটর রাখা স্ট্যাটাসের প্রশ্ন ভাইয়া :( , কয়েকটা স্টুডেন্টের ক্ষেত্রে এইটা আমার মনে হয়েছে

    জবাব দিন

  12. মুহিব
       জুলাই ১৭, ২০১২ at ৬:০০ অপরাহ্ন |

    ভাই অনেকদিন পর অনেক্ষণ ধরে হাসলাম। :boss: :boss:

    আল্লাহ বাচাইছে কোনদিন প্রাইভেট পড়াইতে হয় নাই। :-? ;)

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ৯:১৬ অপরাহ্ন |

    আসলেই বেচে গেসেন :)

    জবাব দিন

  13. রাব্বী (৯২-৯৮)
       জুলাই ১৭, ২০১২ at ১০:০১ অপরাহ্ন |

    পড়ছি কিন্তু। পড়ে মনে হইছে ঘটনাগুলি কেমন দুম শেষ হয়ে গেছে। ঘটনাগুলিরে আরো মজা করে বাস জার্নির মতো লেখা যাইতো।

    আমি এক ছাত্র পড়াইতাম ইংরেজি মাধ্যমের। যতদিন পড়াইছিলাম আমি তার নানারকম পরীক্ষণের বিষয় ছিলাম। ব্যাপক পেইন দিতো। না পেরে এক বন্ধুকে দিয়ে দিলাম, যার কড়া গৃহশিক্ষক হিসেবে নাম ছিল। অনেকদিন পড়াইলো। তারপর একদিন ফোন করে বলে তার একটা আনন্দের সংবাদ আছে সেইটা আমারে নিয়ে সেলিব্রেট করতে চায়। দেখা হলে বলে কি সেই ছাত্রকে পড়ানো ছেড়ে দিসে আর মাথার উপর থেকে একটা বিশাল বোঝা নামার অনুভূতি হচ্ছে! তখন বন্ধুরে বললাম এই একই কারণে আমি ওকে পড়াতে দিসিলাম। বছরখানেক আগে সেই ছাত্রের সাথে দেখা। এখন ইংল্যান্ডের এক ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। এমন ভদ্র হইছে, পুরাটা সময় পাশে পাশে থাকলো, নানা কথা – মজাই লাগলো!

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ১৮, ২০১২ at ৯:০৫ পুর্বাহ্ন |

    ঠিক বলেছেন ভাইয়া , এইটা বাস পর্বের মত মজার হয়নাই । এইটা আসলে সামহয়্যার ব্লগে যখন একাউন্ট খুলি , তখন প্রথমদিকের আবজাব লেখার একটা।

    আমারো একটা স্টুডেন্ট আছে, পড়ানর সময় পেইন দিত খুব কিন্তু এখন অনেক ভাল সম্পর্ক :)

    জবাব দিন

  14. আহ্সান (৮৮-৯৪)
       জুলাই ১৯, ২০১২ at ১০:৫৮ অপরাহ্ন |

    লেখা মজা হইছে…।
    জীবনে টিউশনী করানোর ব্যাপক ইচ্ছা আছিলো… কিন্তু পারলামনা… আফসোস জেন্টেলম্যান…

    জবাব দিন

    সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)
        জুলাই ২২, ২০১২ at ৮:৩৭ অপরাহ্ন |

    আফসোস কিসের ভাই ! আল্লাহ বাচাইসে সত্যি সত্যি !

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard