কুমিল্লার গর্ব আশিক

 

একাডিয়া ইউনিভার্সিটি, কানাডা। এর বিগত ২০০ বছরের ইতিহাসে দুর্লভ এক প্রতিভার স্বাক্ষর দেখিয়েছেন বাংলাদেশি ছাত্র মোঃ আশিকুর রহমান।

আশিকের কম্পিউটার সায়েন্সে অনার্স শেষ হলো। তার সাথে অসাধারণ এক সমন্বয় কম্পিউটার সায়েন্স ও ম্যাথে তার মেজর। ইতিমধ্যে IEEE জার্নালে তার ১টি পেপার প্রকাশিত হয়েছে এবং IEEE সম্মেলনে এ পর্যন্ত ৮টি।
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, ২৪.০৩.২০০৮, ৫ম পৃষ্ঠা)

বর্তমানে তিনি PAWS(petrolium applications of wireless systems) প্রজেক্টে কাজ করছেন। জলভাগ থেকে পেট্রোলিয়াম উত্তোলনে ওয়্যারলেস সেন্সর নেটওয়ার্ক (WSN) ব্যবহার করে শক্তিক্ষয় হ্রাসকল্পে কাজ করছেন তাঁরা। কেপ ব্রেটন, একাডিয়া এবং ডালহৌসী ইউনিভার্সিটির যৌথ এই উদ্যোগে অর্থায়ন করছে কানাডা সরকার।

এই প্রতিভাধর বাংলাদেশি ছাত্র একজন এক্স-ক্যাডেট, ২০০৩ সালে তিনি কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ (তিতাস হাউস) থেকে ইন্টার শেষ করে কানাডায় যান।
সাবাশ আশিক। আমরা তোমাকে নিয়ে গর্বিত।

 

২,৮৪৩ বার দেখা হয়েছে

৩২ টি মন্তব্য : “কুমিল্লার গর্ব আশিক”

  1. ক্যাডেট rocz!!!

    ক্যাডেটদের এই রকম এগিয়ে চলা শুনতে বেশ ভালো লাগে...আমাদের এডজুটেন্ট একটা কথা প্রায় বলতেন..."তুমি যদি ফুল বিক্রেতা হও তাহলে তোমার ফুল মানুষ সবচেয়ে বেশী কিনবে..." এই কথাটি আমি মনে মনে প্রচন্ড বিশ্বাস করি। কেন জানি মনে হয়...আমাদের কেউ আটকিয়ে রাখতে পারবোনা...we gonna rock da nation...

    ভার্সিটিটার নাম খুব সম্ভবত আকাদিয়া। একাডিয়া না। প্রথম আলোতে কি একাডিয়া লিখছে? অবশ্য ওদের কথা আর কি বলবো। ডার্ক কাউট এর নাম লিখে ডার্ক কুইট।

    জবাব দিন
    • তাইফুর (৯২-৯৮)
      ভার্সিটিটার নাম খুব সম্ভবত আকাদিয়া। একাডিয়া না। প্রথম আলোতে কি একাডিয়া লিখছে? অবশ্য ওদের কথা আর কি বলবো। ডার্ক কাউট এর নাম লিখে ডার্ক কুইট।

      আর জেমস বন্ডের নতুন ছবি 'কোয়ান্টাম অফ সলেস' কে 'কোয়ান্টাম মেথড'


      পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
      মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

      জবাব দিন
  2. খুব ভালো লাগলো, তবে দিন দিন আমাদের(ক্যাডেটদের) যে অবস্থা হচ্ছে, তাতে জাতি খুব বেশি দিন আমাদের নিয়ে গর্ব করতে পারবে বলে মনে হয় না, কারণ বর্তমানে ৯০% ক্যাডেটের সাফল্য HSC পর্যন্তই, তাও আবার ঐ (............ তথাকথিত classmate feelings)-এর গুণে। আশা করি, recently eX-cadet হওয়া ভাই-বোনেরা আমার কথার মর্ম বুঝতে পারবেন। আমরা চাই, হাজার হাজার টাকা খরচ করে যাদের গড়ে তোলা হচ্ছে, তারা যেন সত্যিই "মানুষ" হয়, শুধু ''আমরা boss" এই ধারণায় বড় হয়ে লাভ নেই।

    জবাব দিন
  3. @ তারিক,

    """"খুব ভালো লাগলো, তবে দিন দিন আমাদের(ক্যাডেটদের) যে অবস্থা হচ্ছে, তাতে জাতি খুব বেশি দিন আমাদের নিয়ে গর্ব করতে পারবে বলে মনে হয় না, কারণ বর্তমানে ৯০% ক্যাডেটের সাফল্য HSC পর্যন্তই, তাও আবার ঐ (………… তথাকথিত classmate feelings)-এর গুণে। আশা করি, recently eX-cadet হওয়া ভাই-বোনেরা আমার কথার মর্ম বুঝতে পারবেন। আমরা চাই, হাজার হাজার টাকা খরচ করে যাদের গড়ে তোলা হচ্ছে, তারা যেন সত্যিই “মানুষ” হয়, শুধু ”আমরা boss” এই ধারণায় বড় হয়ে লাভ নেই।"""

    একটা ক্যাডেট কাছ থেকে এই কথা শুনতে হলো? ৯০% ক্যাডেটের সাফল্য HSC পর্যন্তই...এই পরিসংখ্যান তুমি কোথা থেকে পাইছ?

    ক্লাসমেট ফিলিংসের কারণে অনেকে ভালো রেজাল্ট করে বের হয়েছে। এইটা তোমার দু:খের কারণ বলে মনে হচ্ছে। তুমি ভালো ছাত্র ছিলা...অনেকেই হয়তো তোমার কাছ পরীক্ষায় সময় হেল্প চাইছে...এইটা তোমার মনোকষ্টের কারণ নাকি? এতো কষ্ট করে পড়লা...আর পাশের একজন কিনা না পড়ে তোমার টা কপি মেরে দিলো... 🙁

    আমি রিসেন্টলি এক্স-ক্যাডেট...যতদুর জানি আমাদের কলেজের দুই একজন বাদে সবাই এখন বেশ ভালো জায়গায় আছে...কিংবা পড়াশোনা করছে।

    আমরা যে boss এইটা কোন ধারণা না। এইটা সত্য কথা...আমি নিশ্চিত এই কথাটার মানে তুমি এখনও ধরতে পারোনাই...পড়ালেখায় সেরা হবার মাধ্যমেই জীবনে সেরা হওয়া যায় না। সেরা হতে হলে অনেক অনেক জিনিস মাথায় রাখতে হয়...যেই জিনিসগুলা একটা সিভিলের চাইতে ক্যাডেট পোলাপাইন বেশী ভালো জানে...কারণ অনেক পিকুলিয়ার পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে এসেছি আমরা ক্যাডেট কলেজে...যেগুলো আমাদের শিখিয়েছে কোন পরিস্থিততে কিভাবে আচরণ করতে হয়...

    ভালো থেকো...

    জবাব দিন
  4. @তারিক:
    তুমি ক্যাডেটদের যে ব্যর্থতার কথা বললা তার সাথে একমত নই। কারণ, এইচএসসি'র পরও ক্যাডেটদের সফলতা যথেষ্ট। বাংলাদেশের টপ ১% এর মধ্যে ক্যাডেটরা সব সময়ই থাকে।
    আমাদের ব্যর্থতা কেবল একটি দিক দিয়েই হতে পারে। সেটা হল দেশ পরিবর্তন বা উন্নয়নের জন্য বিশাল কোন উদ্যোগ কোন ক্যাডেট এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি। আমার চোখে বর্তমানে কেবল "আতিউর রহমান" কেই চোখে পড়ে।

    তাই আমি বলি, ক্যাডেটরা শিক্ষা ও কর্মজীবনে সম্পূর্ণই সফল। ব্যর্থতা যা আছে তা দেশ গঠনে যথার্থ ভূমিকা না রাখার কারণে।

    জবাব দিন
  5. ke bolse desh gothone Cadet ra nai? So many doctors, engineers , professors and Professionals ar kon institute dite parse?I Completely disagree.....Muhammad,kisu mone korish na....living under the sea of air we forget that we are inside the ocean of air.....eirokom akta kotha ase.....

    BUET, MEDICAL,UNIVERSITY......eigulate top students der beshir bhag kotheke ashe?ami defence er kotha baad e dilam......
    NDC,Viqarunnisa ar Holy Cross er kotha bolbi?oder class 12 theke 1000 students pass kore from every college......minimum 3000 students passes HSC from there every yr.....sei 3000 theke top list e thake oneke...ar Cadet ra every yr ber hoy highest 500....sekhan theke tara ederke defeat diye top list e ashe.....

    I guess I made my point clear....

    Muhammad tui mind korish na......ami just amar view ta prokash korlam.....bhalo thakish....

    Cadet College er uddesso celebrity toiri kora na(jodio there are many Cadet who are celebrities in their field...).....we all know that its aim is to produce worthy citizens.....ar sei lokkhe Cadet College 100 percent shofol.....

    জবাব দিন
  6. তারিক ভাইয়া,

    তোমার লেখাটা এডিটিং এ সমস্যা হচ্ছে। তুমি এইখানে মন্তব্য করো। এইখানেই আলোচনা হোক...এইটা নিয়ে আলাদা ব্লগ দেবার প্রয়োজনীয়তা নেই...

    জবাব দিন
  7. মাশরুফ
    মুহাম্মদের বক্তব্যের সাথে তোর কথার কী পার্থক্য আছে? দু'জনেই একই কথা বলেছিস। "শিক্ষা ও কর্মজীবনে" (ব্যক্তিগত) সফল।
    আমি মুহাম্মদের সাথে একমত, দেশের উন্নয়নে বিশাল কোন উদ্যোগ আমরা কেউ এখনো নিতে পারি নাই।

    জবাব দিন
  8. @ রায়হান আবীর
    তারিক ছেলেটা হয়তো ওর আশেপাশের মানুষদের নিয়ে কোনকিছু মিন করতে চাইসিল...।
    যাহোক, আমি ওর শেষ কথার সাথে একমত, "তারা যেন সত্যিই “মানুষ” হয়, শুধু ”আমরা boss” এই ধারণায় বড় হয়ে লাভ নেই।"
    আত্মগর্বের উপযুক্ত কিছু যেন আমরা করে দেখাতে পারি।

    জবাব দিন
  9. ভাই, আমি কোন ধরনণর ক্ষোভ বা কষ্ট নিয়ে কথাটা বলিনি। আমি যেটা বলতে চেয়েছি তা হল, হাজার হাজার টাকা খরচ করে যে ক্যাডেটদের গড়ে তোলা হচ্ছে, সেই আমাদের দ্বারা জাতি কতটুকু পাচ্ছে?? আমরা নিজেরা personally হয়ত অনেক ভাল আছি, but আমাদের careerটা যে অনেক ঋণগ্রস্ত- এটা কি আমরা মনে রাখি?? ক্যাডেট কলেজে অনেক কিছুই শেখানো হয়, যেটা আমাদের শেখানো হয় না, তার নাম "মানবিকতা", আর এই জিনিসটার অভাবে সারা জীবন হয়ত ক্যাডেটই থেকে যাব," মানুষ” হতে পারব না........ ঐ ঋণের বোঝাটা সারা জীবন কাঁধেই বয়ে বেড়াতে হবে.............. আমার আগের commentএর মর্মাথ বুঝাতে আমাদের কলেজের ওয়েটার শাহআলম ভাইয়ের একটা উক্তি ব্যবহার করব- "জীবনে অনেক ক্যাডেট বড় করলাম, কিন্তু দু:খের বিষয় কলেজ থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরে কেউ আর আমাগো মনে রাখে নাই..........."
    ভাই, আমার commentsটা পড়ে কেউ আমাকে ভুল বুঝবেন না pls, সব সময়ই নিজের মধ্যে একটা অপরাধবোধ কাজ করে- "জনগণের টাকায় শুধু মজাই করে গেলাম, একজন কৃতজ্ঞ মানুষ হতে পারলাম না।" আচ্ছা, আমরা কি পারতাম ন না, নিজেদের ছোট্ট একটা ফান্ড গড়ে তুলতে, যে টাকা দিয়ে কলেজের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ায় সাহায্য করা হবে....... তাদের অভাবের দিনে তাদের সহায়তা করা হবে? এসব ছোটখাট কাজে আমাদের ঋণ মোচন না হলেও কাঁধের বোঝা কিছুটা হলেও হালকা হতো। ভাই, পত্রিকায় যখন দেখি, "একটা ছেলে দিনে রিকসা চালায়, রাতে পড়ে......." কিংবা "একটা মেয়ে পড়াশুনার টাকা জোগাড় করতে নিজের সর্বস্ব বিকিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে......", তখন নিজেকে খুব অপরাধী মনে হয়। মনে হয়, দরিদ্র এই দেশটায় মেধার কোন অভাব নেই, আছে সুযোগের অভাব। দেশের গরীব মানুষগুলোর টাকায় আমরা গড়ে তুলি আমাদের ভবিষ্যৎ, ওরা আশায় বুক বেঁধে থাকে, "ওদের ছেলেমেয়েরাও একদিন সুযোগ পাবে", কিন্তু সেই দিন আর আসে না........... কারণ, আমরা অকৃতজ্ঞ। মাঝে মাঝে বড় আফসোস হয়, "ইস, হাজারো সুশিক্ষার পাশাপাশি আমাদের যদি সামান্য একটু কৃতজ্ঞতাবোধ শেখানো হতো..........." তাই লিখেছিলাম, সারা জীবন নিজেদের শুধু boss ভেবেই যাবো, সত্যিকারের boss কোনদিন হতে পারব কি??? খুব বড়মানুষ হয়ত হব, কিন্তু "মানুষ" হওয়াটা আর হবে না................... আমাদের মধ্যে ১০%ই কেবল হয়ত “মানুষ” হয়, আর আমরা বাকি ৯০% দেশকে দুটো A+ দান করেই ঋণের বোঝাটা কাঁধ থেকে ফেলে দেই........... যাই হোক, I ALSO FEEL PROUD TO BE A CADET, তবুও কেমন যেন একটা অপরাধবোধ........, সেটা সবার সাথে share করতেই আমার এই লেখা........

    জবাব দিন
  10. তারিক,
    মহান চিন্তাধারা তোমার। তোমার প্রতিটি কথাই বাস্তব।
    তবে কথাগুলো একা তোমার বক্তব্য নয়, সবারই চিন্তাধারা এরকম। সবাই নিজ নিজ স্টাইলে সেটা ব্যক্ত করেছে আরকি।
    ভাল হবে, যদি এই বাক্যগুলোর যথার্থ প্রয়োগ করা সম্ভব হয়।
    আর কৃতজ্ঞতাবোধের শিক্ষা দেয়া হয়নি, তা কিন্তু না। শিক্ষা আমরা পেয়েছি, তবে সবটুকু হয়তো মেনে নিতে পারিনি।
    অভাবটা হলো জীবনবোধের। যে জীবন থেকে যতোটা শিখতে রাজি হয়েছে তার দায়িত্ববোধ ততোই বেড়েছে। জীবনতো শিখিয়েই চললো, প্রতিনিয়ত, সমস্যা হলো যে আমরা তার কতোটুকু গ্রহণ করলাম।

    জবাব দিন
  11. @ তারিক,

    তোমার এইবারের কথাগুলো ঠিক আছে। কিন্তু প্রথম মন্তব্যে তুমি এই কথা বুঝাতে যেয়ে অপ্রাসংগীক উদাহরণ দিয়েছে...আমি মানি যে...মানুষ হওয়াটাই জীবনে সবচে বড় ব্যাপার, ভালো রেজাল্ট নয়...

    কিন্তু তুমি বললা "বেশীর ভাগ এক্সক্যাডেটদের সাফল্য HSC পর্যন্ত, তাও ক্লাসমেট ফিলিংসের কল্যাণে..." এই লাইনটা কি ক্যাডেটরা মহৎ মানুষ হয়ে গড়ে উঠছে না, সেইটা মিন করে? তুমিই বলো...

    ভালো থেকো...

    জবাব দিন
  12. @রায়হান ভাই,
    জীবনের প্রথম ধাপগুলোতেই যদি "চুরি" করে সাফল্য পাওয়া শিখি, তাহলে আমরা ভবিষ্যৎ জীবনে কি করব?? আগের ক্যাডেটরা কলেজে মজা করার পাশাপাশি পড়াশুনাটাও করত, কিন্তু দিন দিন পড়াশুনাটা হারিয়ে যাচ্ছে। তাই আমি লিখেছিলাম, "recently eX-cadet হওয়া ভাই-বোনেরা আমার কথার মর্ম বুঝতে পারবেন।" আর আমি প্রথম কমেন্টে একটা "বর্তমানে" শব্দ use করেছিলাম, ""বর্তমানে ৯০% ক্যাডেটের সাফল্য HSC পর্যন্তই।"" বর্তমান সময়ে ক্যাডেটদের সাফল্য, আর কিছুকাল আগের ক্যাডেটদের সাফল্যের পরিসংখ্যান দেখলেই ব্যাপারটা আপনার চোখেও স্পষ্ট হয়ে উঠবে যে ক্যাডেটদের সাফল্যো হার দিন দিনই অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। আর একটা ব্যাপার হচ্ছে "classmate feelings" ব্যাপারটা দিন দিনই positive দিক হারিয়ে কেবল negative দিকেই গড়ে উঠছে। পরীক্ষায় টুকটাক help করা বা help নেয়া- এটা কোন ব্যাপার নয়। তবে নিজের পড়াশুনা বাদ দিয়ে সবসময় "অমুকে তো আছেই......" এমন ভরসা নিয়ে থাকাটা ক্যাডেটদের ক্রমশই পরনির্ভরশীল করে গড়ে তুলছে। বর্তমান সময়ে maximum ক্যাডেটের নির্ভরশীলতা ঐ classmate feelings-এর উপরেই। বর্তমান সময়ের ক্যাডেটরা এসবের মাঝেই বেড়ে উঠছে, আর তাই আমাদের (ক্যাডেটদের) দিয়ে জাতির উন্নয়নের সম্ভাবনা ক্রমশই ফিকে হয়ে যাচ্ছে, কারণ বর্তমার সময়ে আমরা ক্যাডেট কলেজে যে শিক্ষা লাভ করছি তার একটা বড় অংশ হচেছ "কি করে অন্যের মাধ্যমে নিজের সাফল্য অর্জন করা যায়.....।" কিন্তু "কি করে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা যায়" এই শিক্ষা আমরা কতটুকু নিচ্ছি?? শীঘ্রই এই অবস্থার পরিবর্তন দরকার.......... তা না হলে আমরা জাতির আশা খুব বেশি পূরণ করতে পারব না..........

    জবাব দিন
  13. তারিক,

    এই বিষয় নিয়ে তোমার সাথে বিশাল তর্কে যতে পারি...কিন্তু পরীক্ষার চাপে বিশাল ব্যাস্ত আছি...আশাকরি পরীক্ষার পর তোমার সাথে এই ব্যপারে আলোচনা করবো...ততোদিন পর্যন্ত ক্ষ্যামা!!

    জবাব দিন
  14. হ্যাঁ ভাই,
    আমারও মাঝে মাঝে মনে হয়, আমার চিন্তাভাবনাগুলোর একটু পরিবর্তন দরকার। আশা করি, সবার সাথে share করার মাধ্যমে আমার চিন্তাভাবনাগুলো আরও clear হবে। আমার চিন্তাভাবনার ব্যাপারে এত ভাল response করার জন্যে সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের মতামতের অপেক্ষায় রইলাম, pls share ur thinkings with me, thanks again..........

    জবাব দিন
  15. @tarik...
    hmm tarik baper gulo tumi ja bolso sotti but tomer expression ta hoito aro sundor kore korte parte..recently cadet bolte to amrder batch keo bujhai..but tumi ektu khoj nie dekho 2005 e buet e first 100 e cadet silo 20..tht was the best result in buet admission as fer as i knw...r tara ki korbe seta dekha r jonne ektu somoi dao etto agei amra desh er jonne kisu korsi na eta bole dea hoito thik hosse na r desh k kisu ditehole kintu sober age nijekei darate hoi...

    জবাব দিন
  16. উরে বাবা, এত মহাসম্মেলন হয়া গেসে!
    তবে আমি তারিক এর সাথে একমত। ক্যাডেটদের ক্লাসমেট ফিলিং যদি ঠিক জায়গায় দেখাতে পারতাম তাহলে মনে হয় ফিডব্যাকটা পজিটিভ হত। নাহলে আমরা কিসের বন্ধু।

    জবাব দিন
  17. রায়হান আবীর এবং সাব্বির ভাই ফিরে আসতে আসতে "কুমিল্লার গর্ব আশিক" সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য যোগ করে দেই।
    কিছু অপ্রকাশিত তথ্য ও আমাকে মেইলে জানিয়েছে, এর মাঝ থেকে কিছু প্রকাশযোগ্য তথ্য এখানে তুলে দিলামঃ

    আশিকের মতে তার জীবনের শেষ্ঠ অর্জন হলো IBMএ নিজ internship mentor হিসেবে Greg Adamsকে পাওয়া। IBMএর প্রধান ৯ জন ইঞ্জিনিয়ারের মাঝে তিনি অন্যতম। গ্রেগ আশিকের viva নিয়ে ওকে নিজের গ্রুপে গ্রহণ করেন।
    আশিক অত্যন্ত গর্বভরে জানিয়েছে যে, ওর সূত্র ধরেই একাডিয়া ইউনিভার্সিটি উপরোক্ত PAWS প্রজেক্টে অংশ নেয়। WSN প্রযুক্তি ব্যবহারকল্পে AIEEDR (Artificially Intelligent Energy Efficient Data Routers) উন্নয়নের কন্ট্রাক্ট ওই প্রথম লাভ করেছিল।

    তথ্যগুলো প্রিয় ভাইবোনদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে দেয়া হলো, যেন আমরা এসব থেকে কিছুটা হলেও উদ্যম পেতে পারি। ধন্যবাদ।

    জবাব দিন
  18. আশিক (১৯৯৬-২০০২)

    আই বাপ! এইখানে দেখি অনেক ভারী ভারী আলোচনা হয়ে গিয়েছে!!! 😮

    আমাদের আইইউটির ফাহিম (নন ক্যাডেট, তবে মির্জাপুরের রিটেনে চান্স পেয়ে পরে মেডিক্যালে কি জানি হাটুর সমস্যার জন্য বাদ যায়),(সচলায়তনের কিংকর্তব্যবিমুঢ়) আকাদিয়াতে গেল ২০০৮ এর জানুয়ারিতে এমএস করতে...... 🙂

    আশিকের উত্তরোত্তর সাফল্যা কামনা করছি :clap:

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।

ফেসবুক মন্তব্য