random header image

কোলবালিশ

১.
মুরাদ আজ সারাদিন তার ড্রয়িং রুমে টেলিফোনের পাশে বসে আছে একটা কল পাবার আশায়। কলটা তার বউ নাজমার। সে সম্প্রতি মুরাদকে অনেক দোষে দুষ্ট করে তার বাপের বাড়ি গিয়ে উঠেছে। তাদের চার বছরের বিবাহিত জীবনে এটাই তাদের বিচ্ছেদের প্রথম বিশেষ দিন। আজ তাদের চতুর্থ বিবাহবার্ষিকী। এবং মুরাদ নাজমাকে অসম্ভব ভালবাসে।

নাজমাও যে মুরাদকে ভালবাসে না এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যাবে না। কারণ না ভালবেসে পূর্ণ মনোযোগের সাথে চার বছর সংসার করা যায় না। অবশ্য তা ভাসা ভাসা ভালোবাসা। মোদ্দাকথা নাজমাকে ঠিক মত চেনা যায়নি।শুধু এইটুকু বলা যায়, সে আর সবার মত না।

এক একটি মেয়ের প্রবাল্য এক এক রকম। কেউ সাংসারিক, কেউ স্বাধীনচেতা, কেউ বন্ধুবৎসল, কেউ স্বামীকেন্দ্রিক। নাজমা মাতৃসুলভ। প্রবল তার মাতৃক্ষুধা। বিয়ের শুরু থেকেই তার সকল চিন্তা কাল্পনিক একটি ছোট্ট শিশুকে ঘিরে। স্বামী নয়, সংসার নয়, তার একটা সন্তান চাই। আর তাই পুতুল ভর্তি বেডরুমটায় নিত্য নতুন পোষাকে সাজে কোন না কোন পুতুলের দেহ।

কিন্তু প্রকৃতি এমন উপযুক্ত পরিবেশেই খেলতে ভালবাসে। তাদের পরিবারে তাই কোন শিশু নেই। মুরাদ এই দোষে দুষ্ট। আর তাই এই বিশেষ দিনেও নাজমা এখন তার বাপের বাড়ি। মুরাদ সারাদিন তার ফোনের আশায় ।কারণ মুরাদ নাজমাকে অসম্ভব ভালবাসে।

কিন্তু নাজমার ফোন আর এলো না। এসেছে দূরের আত্মীয় স্বজনদের শুভেচ্ছা, যারা আনেক কিছুই জানে না। আত্মীয় স্বজনদের শুভেচ্ছা মুরাদকে কাঁটার মত বিঁধছে। স্বাভাবিক। দুর্বল সময়ে মানুষ কত কি না ভাবে! আজ মুরাদের নিজের দুর্বলতার কথা বারবার মনে হচ্ছে। আরও মনে হচ্ছে, আত্মীয় স্বজনরা সব জেনেশুনেই বোধ হয় তাকে খোঁচাচ্ছে।

রাতে, ঠিক বারোটায় সে টেলিফোনের লাইনটা ছিড়ে উঠে দাঁড়ায়। সারদিন না খাওয়া। ক্লান্ত দেহ। কাজের ছেলেটা বাইরে থেক খাবার এনে অপেক্ষায় ছিলো এতক্ষণ। তবে মুরাদ এ মুহূর্তে ক্ষুধা তৃষ্ণার উর্ধ্বে। এক রকম ঘোর নিয়ে বিছানায় যায় সে। খালি বিছানা।বারান্দার নীলচে আলো বিষন্নতায় ভারী করে রেখেছে বিছানা। মুরাদ আলো জ্বালবার প্রয়োজন বোধ করল না। চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ল বিছানায়। সারাদিনের উৎকন্ঠায় অসহায় সে, ভিষণ নিসঙ্গ, একাকী আর জড়। মনে হয় ঘড়িটাও তার চেয়ে প্রাণবন্ত। কেমন টিক টিক করে বেজে যাচ্ছে ওটা। হঠাৎ আক্রোশে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘড়ির দিকে তাকায় সে। বড্ড বাড়াবাড়ি শুরু করেছে ওটা। টিক, টিক, টিক ।বলে- ঘড়ি, এই মুহূর্তে তুমি হয়ত আমার চেয়েও জীবন্ত। কেমন টিক টিক করে বেজেই যাচ্ছো নির্লজ্জের মতো। কিন্তু আমি জানি, তুমি কখনো উল্টা ঘুরতে পারবে না। আমি পারব। আমি নাজমার বাসরে হানা দেব।

মুরাদ ব্যস্ত হয় স্মৃতি রোমন্থনে। ঠিক মনে পড়ে তাদের বিবাহিত জীবনের প্রথম রাত। নাজমার গাঢ় লাল শাড়ি। পার্লারে বেঁধে দেয়া চুল। তার ব্যস্ত হাত। শাড়ির চেয়ে হালকা লাল অন্তর্বাস। নাভীর কাছের কালো তিল।
মুরাদের সর্বাঙ্গে জ্বলন শুরু হয়। মৃদু পায়ে তুলে আনে কোলবালিশটাকে, আলমিরা থেকে। তারপর ব্যস্ত হয় স্ব মোহনে মন্থনে।

কোলবালিশটা আগে তার বিছানায়ই থাকত। যখন নাজমার সাথে তার বিয়ের কথা হচ্ছিল তখন এটাকে নাজমা বানিয়ে কত কথা বলত! কিন্তু নাজমা বাস্তবে তার জীবনে আসার পর কোলবালিশটা বাড়তি কিন্তু ফেলা যায় না এমন জঞ্জালের সাথে আশ্রয় নেয়, তাদের শয়ন কক্ষের কোনে রাখা আলমিরায়। কারণ নাজমার কোল বালিশ পছন্দ নয়।
আজ ভিষণ নিসংগ, একাকী আর জড় সময়ে ওটাকে আবার সে তুলে আনে। তার পাশে, একই বিছানায়, ঠিক যে পাশটায় নাজমা ঘুমায়।
এরপর নাজমার বিকল্প সঙ্গি হিসেবে এটা স্থায়ি হয়ে যায় বেশ কিছুদিন মোহনে মন্থনে।

২.
মাস খানেক পরের কথা। একদিন নাজমা ফিরে আসে। মুরাদ খবরটা পায় দুপুর বেলা। ফোনে। কাজের ছেলেটিই জানায়। নাজমা এসেছে।নাজমা এসেছে?নাজমা এসেছে!
অর্ধবেলার অফিস কামাই করে মুরাদও বাড়ি ফিরে আসে।

নাজমা গেস্টরুম সাজিয়ে নিয়েছে তার থাকার জন্য। সারাদিন মুরাদ আনেকবার তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছে, কিন্তু নাজমার ব্যাক্তিত্বের কাছে পাত্তা পায়নি মোটেই। তা না পাক, নাজমা ফিরে এসেছে এই খুশিতেই সে আটখানা হয়ে যেতে পারে, চাঁদে যেতে পারে, পাহাড় থেকে লাফ দিতে পারে, এমনকি প্রতিদিন যে কাকটা তার জানালার ধারে তাড়স্বরে চ্যাচায় তাকেও ক্ষমা করে দিতে পারে। মোদ্দা কথা ভীষণ খুশি সে।

কথা পর্ব হল রাতে। খাবার টেবিলে। এবং নাজমাই শুরু করল। বলল, তুমি ভেব না আমি তোমার জন্য ফিরে এসেছি। আসলে ভাইয়া ছাড়া বাড়ির আর কেউ আমার সমস্যা বুঝতে চায় না। সে আমার আবার বিয়ে ঠিক করেছে। বাকিরা সবাই কোন এক বিচিত্র কারণে তোমাকে পছন্দ করে। তাই বাসায় আনেক বাজে বাজে কথা শুনতে হয় আমাকে। বাসার পরিবেশ সারাক্ষণই গুমোট হয়ে আছে। আমি আর বাসায় থাকতে পারছিলাম না। আত্মীয় স্বজনদের বাসায়ও একই কথা, আমি নাকি ভিষণ সেলফিস। যাই হোক that’s my prob. i ‘ve to solve. আপাতত তোমার বাসাটাই সবচেয়ে নিরাপদ মনে হল। আমি কয়েকদিন থেকেই চলে যাব। just পরিস্থিতিটা ঠান্ডা হোক।ওরা ধরে নেবে মিটমাটের জন্যই হয়ত এসেছিলাম।

দারুণ বুদ্ধি নাজমার। মুরাদ আর কি করে? পূর্ণ সম্মতিই দেয়! সেই সঙ্গে বাড়তি যোগ করে নাজমার পরবর্তী বিয়ের অগ্রিম শুভেচ্ছা। এমন কি পরবর্তী স্বামীর সাথে ঝগড়া হলেও যে সে এখানে এসে সানন্দে থাকতে পারবে তার অগ্রীম নিমন্ত্রণ ও নিশ্চয়তা।নাজমা মুরাদের রসবোধকে খুব একটা কেয়ার করে না।

খাওয়া শেষে সে চলে যায় তার সাজিয়ে নেয়া গেস্ট রুমে। আর মুরাদ বেড রুমে। রাত গভীর হতে থাকে। নাজমার জন্য মুরাদের হাহাকার বেড়ে ওঠে।এবং অভ্যস বশত সেই কোলবালিশ নিয়ে যথাপূর্বম।

একবারে হঠাৎই চিন্তাটা এল তার।
নাজমা তো পাশের রুমেই। তার বিয়ে করা বউ। একান্ত আপনজন।এখনও তালাক হয়নি। সেও তো রক্তমাংসের মানুষ। সেই মানুষ যাদের রাগ থাকে, দুঃখ থাকে, অভিমান থাকে আর থাকে ক্ষমা করার মহৎ প্রবণতা। তার কি একবার বুঝিয়ে বলা উচিৎ না, যে দোষে তার কোন হাত নেই তার জন্য তাকেই অপরাধী করা কতটা যৌক্তিক?

মুরাদ অনেক সাহস নিয়ে নাজমার ঘরে ঢোকে। নাজমারই রাখা বনসাইটা ভেদ করে বাইরের নীল আলো এ ঘরেও। সেই অদ্ভুত বিষন্নতায় মুরাদ দেখে নাজমার চোখে জল। সেও আদর করছে একটি কোলবালিশ।

চমকে ওঠে মুরাদ । যেই নাজমা একদমই কোলবালিশ পছন্দ করে না আজ
তারও অবলম্বন তাহলে কোল বালিশ?!

তবে, কি….নাজমার কোলবালিশটা বেশ ছোট, অনেকটা শিশুদের মত।

[আবারো অনেকদিনের গ্যাপ, তাই এই লেখা। পুরোনো, অন্য ব্লগে প্রকাশিত এবং ঈষৎ বর্ধিত :( ]

৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫ (ভোট, ৫.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

৫২ টি মন্তব্য

  1. মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)
       জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৭:২৭ অপরাহ্ন |

    আছি তো…?

    [ জবাব দিন ]

    মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৭:৩৯ অপরাহ্ন |

    ওয়ে ওয়ে !!! প্রথম :D :D

    দারুন গল্প… :hatsoff:

    চমকে ওঠে মুরাদ । যেই নাজমা একদমই কোলবালিশ পছন্দ করে না আজ
    তারও অবলম্বন তাহলে কোল বালিশ?!

    তবে কি নি নাজমার কোলবালিশটা অনেক ছোট ।

    শেষ অংশটা বেশ ভাল লাগলো…

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৭:৫৩ অপরাহ্ন |

    না, তুমি নাই :P

    থ্যাঙকু মেহেদী :D

    [ জবাব দিন ]

  2. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
       জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৭:৩৬ অপরাহ্ন |

    টিটোদা,তৃতীয় প্যারার শেষ লাইনে মোহনের জায়গায় “মেহনে” হবে।টাইপোটা ঠিক করে মন্তব্যটা মুছে দিয়েন।

    [ জবাব দিন ]

  3. টিটো রহমান (৯৪-০০)
       জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৭:৫৫ অপরাহ্ন |

    আমি কিন্তু মোহনই লিখছি :D

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৮:০২ অপরাহ্ন |

    :( :( কন কি?সেইটা কি জিনিস?যাউজ্ঞা-অকারণে পণ্ডীতি করনের লাইজ্ঞা :frontroll: :frontroll: ।মাপ কইরা দিয়েন বস… :((

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৮:৫৬ অপরাহ্ন |

    না না.তোর চিন্তাটা ঠিক আছে. আমি সেটাই লিখতে চাইছিলাম। পরে একটু শব্দের মজা করলাম। সেটা হচ্ছে মেহন মানে দেহের বিশেষ অঙ্গ। মোহন মানে মুগ্ধকর, মন্থন মানে দলন বা আলোড়ন। সো, দৈহিক অঙ্গ ব্যবহার না করে ভাবটা প্রকাশ করে ফেললাম।
    মানে মোহনে মন্থনে দাড়ালো মুগ্ধকর দলনে…বা…….. :D

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ১০:৪৫ অপরাহ্ন |

    ইয়ে বস,মেহন মানে আমি যদ্দুর জানি মন্থনই,ভুল করছি কিনা ডিকশনারি দেইখা কইতে হইবো।
    তয় আমার ব্যক্তিগত মতামত,লেখক অবশ্যই শব্দ নিয়া খেলতে পারেন।মাইকেল মধুসূদনের কারণে আমরা আলাদা সমধাতুজ কর্ম পাইছি-নিরবিলা,উত্তরিলা ইত্যাদি।কাজেই মোহনই ঠিক।আলগা পন্ডিতি করণের জইন্য আবার মাপ চাই :(

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ১০:৫৩ অপরাহ্ন |

    x-( x-( x-( x-( x-( মাপের গাট্টি নিয়া বইছি নাকি… কয়বার চাবি x-( x-( x-(

    তুই কি মন্থন বলতে মৈথুন বোঝাইতে চাইছিলি :D

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ১১:০৩ অপরাহ্ন |

    ইয়ে মানে…স্বমেহন মানে কিন্তু নিজের সাথে নিজের ওইটাই… :shy: তয় বস, আর না আগাই-এডু স্যার আইসা অচলিল মন্তব্যের দায়ে ইডি দিতে পারে :( তয় যাওয়ার আগে আবার একবার মাপ চায়া যাই…

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ১১:০৫ অপরাহ্ন |

    দুর এই মিথুন মৈথুন নিয়া কিচাইন কর্তে কর্তে আসল কথাটা কওয়া হয়নাই।গল্পটা ফেন্টাবুলাস হইছে,ধুর আপনের লেখা পড়লে হীনমন্যতায় ভুগি-আল্লায় এইরাম ধাড়ি এট্টা সাইজ দিলেন সেই সাথে হালকা পাতলা কিরিয়েটিভিটি দিলে কি এমিন ক্ষতি হৈত… :((

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৪:৪৬ অপরাহ্ন |

    আমি যে মাসরুফ না হওয়ায় হীনমন্যতায় ভুগি, যে কোনো ব্যাপারে যে অসম্ভব পজেটিভ :(( :(( :(( :((

    [ জবাব দিন ]

  4. মইনুল (১৯৯২-১৯৯৮)
       জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৮:০০ অপরাহ্ন |

    গল্পটা অন্যরকম …… সুন্দর কিন্তু অন্যরকম। :boss: :boss: :boss:

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৮:৫৭ অপরাহ্ন |

    :) :) :) :) :)

    [ জবাব দিন ]

  5. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)
       জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৮:৪৬ অপরাহ্ন |

    :hatsoff: চমৎকার।

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ৮:৫৯ অপরাহ্ন |

    থ্যাংকু লাবলু ভাই :boss:

    [ জবাব দিন ]

  6. সাব্বির (৯৫-০১)
       জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ১০:০৯ অপরাহ্ন |

    সুন্দর! সুন্দর!!
    হাফিয ভাই আপনার ইমেইল এড টা দিয়েন :D ফেসবুকে এড করমু :)

    [ জবাব দিন ]

    জিহাদ (৯৯-০৫)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ১০:১২ অপরাহ্ন |

    ফেসবুকে বউ কথা কউ লিখে সার্চ দেন তাইলেই তো হয় :D

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ১০:৪০ অপরাহ্ন |

    জিহাদ তো এমনেই পাইছিলো আমারে :P

    এনিওয়ে আমি রিকো পাঠাইছি :)

    [ জবাব দিন ]

  7. আশহাব (২০০২-০৮)
       জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ১০:১৫ অপরাহ্ন |

    অন্যরকম… :boss: :boss: :boss:

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ১০:৪১ অপরাহ্ন |

    ধন্যবাদ আশহাব

    [ জবাব দিন ]

  8.   রকিব
       জানুয়ারি ১৮, ২০১০ at ১১:২৪ অপরাহ্ন |

    গল্পটা ফেন্টাবুলাস হইছে!
    ধুর আপনের লেখা পড়লে হীনমন্যতায় ভুগি!
    আল্লায় এইরাম ছুট্টো এট্টা সাইজ দিলেন সেই সাথে হালকা পাতলা কিরিয়েটিভিটি দিলে কি এমন ক্ষতি হৈত…… :(( :bash:

    [ জবাব দিন ]

      মাস্ফ্যু
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ২:০৬ পুর্বাহ্ন |

    x-( কপি পেস্ট করছ ক্যান রে আব্দুল? x-(

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৪:৫০ অপরাহ্ন |

    মাসফুর তুলনায় ঠিকাছে কিন্তু দিহান ভাবির পাশে তোরে বড় ভাই বড় ভাই ই লাগল :P

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৭:৪৮ অপরাহ্ন |

    =)) =)) এক্কেবারেঠিক্কৈছেন

    [ জবাব দিন ]

  9. মিশেল (৯৪-০০)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ১:৩১ পুর্বাহ্ন |

    নাজমা তো পাশের রুমেই। তার বিয়ে করা বউ। একান্ত আপনজন।এখনও তালাক হয়নি। সেও তো রক্তমাংসের মানুষ।

    এইটুকু পইড়া মনে হইলো কাহিনী একটা গোইং টু বি হোইং….. :D

    [ জবাব দিন ]

      মাস্ফ্যু
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ২:০৭ পুর্বাহ্ন |

    :shy: আমি তো এই অংশটুকু পইড়া নইড়া চইড়া বইছিলাম “এ্যাকশনের” আশায়…

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৪:৫২ অপরাহ্ন |

    হোইং তো বটেই ……..সে অংশটা আর দিলাম না…….ক্যামেরা ছাদে উঠা গ্যাছে :)) :))

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৭:৪৯ অপরাহ্ন |

    বুজছি-আপনে একশান না দেখায় সমুদ্রে প্রবল ঢেউ আস্তে আস্তে শান্ত হওয়া নাইলে শিশুর ছবি নাইলে গোলাপ ফুল ফুটার ছবি দিয়াই কাম সাইরা ফেলবেন x-(

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ২০, ২০১০ at ৮:০৩ অপরাহ্ন |

    কিংবা বাঘ হরিনের উপর ঝাপিয়ে পড়ল :D :D

    [ জবাব দিন ]

  10. রবিন (৯৪-০০/ককক)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ২:০৪ পুর্বাহ্ন |

    :clap:

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৪:৫২ অপরাহ্ন |

    :) :) :hug:

    [ জবাব দিন ]

  11. আদনান (১৯৯৪-২০০০)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৮:৫৫ পুর্বাহ্ন |

    আগেই পড়ছিলাম দোস্ত । খুবই জোশ আর আমার খুব প্রিয় একটা গল্প । তারেকের তো বই বের হচ্ছে বইমেলায়, তুই কবে বের করবি??

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৪:৫৫ অপরাহ্ন |

    থ্যাংকু দোস্ত :hug:

    আরে তারেকের মত দুর্দান্ত লেখা আগে শিখা তো নেই :dreamy:

    [ জবাব দিন ]

  12. কামরুলতপু (৯৬-০২)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৯:১২ পুর্বাহ্ন |

    আগে পড়েছিলাম গল্পটা। কেমন আছেন ভাইয়া।

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৪:৫৬ অপরাহ্ন |

    ঠান্ডায় কাবু…ভালো আছি তবু

    তুমি কেমন আেছা?

    [ জবাব দিন ]

  13. আহসান আকাশ (৯৬-০২)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ১০:২৫ পুর্বাহ্ন |

    :hatsoff: :hatsoff:

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৪:৫৬ অপরাহ্ন |

    :hug: :) :hug: :guitar:

    [ জবাব দিন ]

  14. তানভীর (৯৪-০০)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ১০:৩৮ পুর্বাহ্ন |

    চমৎকার দোস্ত! :boss:

    আমরা তোকে নিয়ে অনেক গর্ব করি। :)

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৪:৫৮ অপরাহ্ন |

    :boss: :boss: থ্যাংকস দোস্ত।

    আর আমরাও তোকে নিয়ে অনেক গর্ব করি। :)

    [ জবাব দিন ]

    জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)
        জানুয়ারি ২০, ২০১০ at ১২:২৫ পুর্বাহ্ন |

    আমরা আপনাদের নিয়া গর্ব করি… :D

    [ জবাব দিন ]

    বন্য (৯৯-০৫)
        জানুয়ারি ২০, ২০১০ at ১২:৩৫ পুর্বাহ্ন |

    দুর্দান্ত ! টিটোভাই..আপনে পুরা নাটকের্মাল !! :thumbup:
    আমরা আপনাদের নিয়া গর্ব করি :D

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ২০, ২০১০ at ৮:০৪ অপরাহ্ন |

    তান, জুনা, বন্য আমরা সবাই তোদের নিয়া গর্ব করি :D

    [ জবাব দিন ]

  15. তারেক (৯৪ - ০০)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ১১:০৪ পুর্বাহ্ন |

    গল্পটা প্রথম পড়ছিলাম মনে হয় বছর ছয়েক আগে। নাকি তারও বেশি? এখনও তেমনি ভাল লাগলো। :)
    সেন্সরে না আটকাইলে এটাকে নাটক বানিয়ে ফেলতে পারিস।

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৪:৫৯ অপরাহ্ন |

    হ তা ঠিক কইছস।ঠিকই বলছিস। :) সেন্সর অংশটা একটু টেকনিক্যালি হ্যান্ডল করতে হবে আর কি….

    [ জবাব দিন ]

  16. ফয়েজ (৮৭-৯৩)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৪:৩৬ অপরাহ্ন |

    গল্পটা অনেক গুছিয়ে লেখেছো, সুন্দর হয়েছে :)

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৫:০০ অপরাহ্ন |

    থ্যাংকু ফয়েজ ভাই….আপনের কমেন্ট না পাইলে উসখুস লাগে :boss:

    [ জবাব দিন ]

  17. রেজওয়ান (৯৯-০৫)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৫:০৬ অপরাহ্ন |

    কদ্দিন পর নিজের পিসি তে ফেরত আইলাম :D
    লেখা দুর্দান্ত হইছে :boss: :boss: :boss:

    [ জবাব দিন ]

  18. টিটো রহমান (৯৪-০০)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৫:১৩ অপরাহ্ন |

    ওয়েলকাম্ব্যাক :hug: :hug:

    যাক…..তোর মজার কমেন্ট আবার চালু হইব তাইলে :thumbup:

    [ জবাব দিন ]

    রেজওয়ান (৯৯-০৫)
        জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৫:৩২ অপরাহ্ন |

    :shy: :shy: :shy: :shy:
    :grr: :grr: :grr: :grr:

    [ জবাব দিন ]

  19. আন্দালিব (৯৬-০২)
       জানুয়ারি ১৯, ২০১০ at ৬:২৪ অপরাহ্ন |

    সময় নিয়া পড়লাম। আপনার গল্প তাড়াহুড়া করে পড়ে মজা লাগে না। শুরুর অংশটা দারুণ সাবলীল, মানে এতোই সরগড়ে যে মনে হয় সিনেমার দৃশ্য।

    “নাজমা এসেছে। নাজমা এসেছে? নাজমা এসেছে!”
    -শুধুমাত্র তিনটা যতিচিহ্ন দিয়ে এমন প্রকাশ আগে দেখি নাই। দুর্দান্ত।

    মেহন, মোহন নিয়ে আমিও একটু বিভ্রান্ত হয়েছি। তবে বুঝে নেয়া যাচ্ছে বলে মনে হয় না খুব একটা বড়ো কিছু সেটা।

    আর গল্পের ফিনিশিংটা অনবদ্য। পাঠক হিসাবে বলিঃ পয়সা উশুল! :D :D

    আরো গপ্প পড়তে চাই টিটো ভাই!

    [ জবাব দিন ]

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ২০, ২০১০ at ৮:০৭ অপরাহ্ন |

    যতিচিহ্ন দিয়ে এমন প্রকাশ

    ঐ এক্সপেরিমেন্ট আর কি :D :P

    থ্যাংকু যত্ন নিয়া পড়ছিস খুব………থ্যাংক্স O:-)

    [ জবাব দিন ]

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard