
২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: ক্যাপ্টেন তানভীর, কর্নেল আফতাব, এবং মেজর আজিজ

২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: মেজর আজিজ, ক্যাপ্টেন তানভীর, এবং কর্নেল আফতাব

২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: কর্নেল আফতাব, মেজর আজিজ, এবং ক্যাপ্টেন তানভীর

এদেরই কেউ কেউ . . . ? নাকি সবাই . . . ?

ক্যাপ্টেন তানভীরের বড় ছেলে ইফাজের সাথে সিপাহী আবু সালেখ। তার নিজেরই রানার তাকে দেখিয়ে দিয়েছিলো!

ডান দিকে ক্যাপ্টেন তানভীর, ও তার আগে ডিএডি তৌহিদের খালাতো ভাই ডিএডি এস কে আমিন (নীল শার্ট)। রংপুর থেকে ইন্সট্রাকশন দিয়েছিলো যে, পরিবারের সদস্যদের খুঁজে খুঁজে বের করে পুরো পরিবারকে হত্যা করার।

শীতকালীন পোসাকে ক্যাপ্টেন তানভীর
কর্নেল আফতাব এবং মেজর আজিজ আরসিসি-তে রুমমেট ছিলেন। শারিরীক সমস্যার কারনে মেজর আজিজের প্রোমশন হচ্ছিল না। অবশ্য কর্মজীবনেও তারা কাছাকাছিই ছিলেন, এমনকি পরবর্তী জীবনেও . . .



২৪ টি মন্তব্য
………
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
কাদের পাপের ফল বয়ে বেড়াচ্ছি আমরা…
[ জবাব দিন ]
তাঁরা সব্বাই ভালো থাকুন…….
[ জবাব দিন ]
স্যালুট
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
ভাইয়া…পোষ্টটা বুঝতে একটু কষ্ট হচ্ছে…এক্টু খোলাসা করে বলেন না…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
……
[ জবাব দিন ]
মধ্যযুগে কিছু শাস্তি ছিল ভয়াবহ যন্ত্রণাদায়ক এবং অত্যন্ত ধীরগতির।আধুনিক যুগে সেসব শুনলে আমরা শিউরে উঠি-কিন্তু কি ধরণের লোকদের জন্যে এ শাস্তিগুলো বরাদ্দ হতে পারে বিডিয়ার ঘটনার পর কিছুটা হলেও অনুমান করতে পারছি।
[ জবাব দিন ]
……………
[ জবাব দিন ]
অামাদের সূযর্সন্তানদের জন্য
[ জবাব দিন ]
……………….
[ জবাব দিন ]
নো কমেন্ট স
…….. টু অল।
[ জবাব দিন ]
ছবি সাথে একটু মন্তব্য দেখেই খুব খারাপ লাগছে, তাদের পরি্বার না জানি প্রতিনিয়ত কী কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
জাতীর বীর সন্তানদের
[ জবাব দিন ]
সরি। পোস্টটা বুঝতে পারছিনা।… কেউ কি পুরো ব্যাপারটা বলবেন?
[ জবাব দিন ]
মেজর আজীজ স্যারকে খুব মনে পড়ে। আমি হাউস প্রিফেক্ট থাকাকালে তাকে এডজুট্যান্ট হিসেবে পাইছিলাম।
[ জবাব দিন ]
…………………………………………
[ জবাব দিন ]
কোন ভাষা নেই। আল্লাহ তাদের বেহেশত দান করুন।
[ জবাব দিন ]