টুশকি [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮] [৯] [১০] [১১] [১২] [১৩] [১৪] [১৫] [১৭]
১. “বাংলা গু ফে”র মতোন আরও কিছু লাইবেরিয়ান ইংলিশ:
ক. কানে রঃ = কানেক্টিং রড।
খ. উ কা = ইউ কাম। প্রথমে বেশ কয়েকবার বুঝিইনি যে আমাকে ডাকছে।
গ. লে গো = লেটস গো।
ঘ. কেনজু = সুগারকেইন জুস। আখের রস থেকে ঢুকুঢুকু নেশার জিনিস তৈরী হয় বলে লাইবেরিয়ানরা এর খুব ভালো সমঝদার
।
ঙ. বানবা = ব্যানব্যাট (বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন)।
চ. বির = বিয়ার। অনেকবার বলেও যখন আমাকে বোঝাতে পারল না তখন রাস্তা ধরে ডিরেকশন দিয়ে বিয়ার ফ্যাক্টরী চেনাতেই আমি বুঝলাম “বির” কি জিনিস।
২. বিএমএ’তে হর্স রাইডিং ক্লাসটা বেসিক্যালি হাতেকলমে স্টাফরাই নিতেন। সেটার ইনট্রোডাকশনের সময় চিফ ইন্সট্রাকটর বলছেন, “জেন্টলমেন, স্টাফ উইল লার্ন ইউ হাউ টু রাইড অন হর্স”।
৩. এমআইএসটি’তে আমাদের ক্লাস নিতেন আইইউটি থেকে সদ্য পাশ করে বের হওয়া কিবরিয়া স্যার। মেরুদন্ডের ব্যথাজনিত কারণে সিএমএইচে যাওয়ার প্রয়োজনে মুশফিকের অনুমতি প্রার্থনা, “স্যার আমি আজ ক্লাস টেস্ট দিতে পারব না। আমার বোনে (Bone) প্রবলেম তো, সিএমএইচ যেতে হবে”। এটা শুনে স্যার বললেন, “আপনার বোনের প্রবলেম? বোনের প্রবলেমে ভাইকেই আগায়ে যেতে হবে। আচ্ছা ঠিক আছে আমি না হয় আপনার পরীক্ষাটা পরেই নিব”।
৪. আমরা অফিসার্স মেসে খাবারে বৈচিত্র্য আনার জন্য অধিকাংশ সময়েই ডিমের উপর নির্ভর করি। ব্যক্তিবিশেষের রুচিভেদে নানান রকম ডিম ভাজির অর্ডার প্লেস করা হয়।
কারও নরম কুসুম পোচ চাই তো কারও শক্ত কুসুম পোচ।
কারও আস্ত কুসুম পোচ তো কারও ভাঙ্গা কুসুম পোচ।
কারও পোচ তেলে তো কারও পানিতে।
কারও ডিম ভাজিতে পেঁয়াজ মরিচ হবে তো কারও হবে না।
কারও ডিমে লাল মরিচের গুঁড়ো হবে তো কারওটা হলুদে হলুদে একাকার।
কারও ডবল ডিম ভাজি তো কারও ঝুড়ি ভাজি।
কারও ডিমে টমেটো মিক্সড হয়ে কিম্ভুত চেহারা হয় তো কারও ডিমে মিশে যায় টম্যাটো সস।
এইরকম বৈচিত্রের ধারাবাহিকতায় একটা ডিম ভাজির আদেশ হলো এরকম, “বাইরে পোড়া পোড়া কিন্তু ভিতরে নরম হতে হবে”। এই আদেশ শুনে ওয়েটার যেই রওয়ানা দিয়েছে সাথে সাথে আরেকজনের ডিম ভাজির নির্দেশ, “বাইরে কাঁচা কিন্তু ভিতরে হবে পোড়া পোড়া, বোঝা গেছে”?
৫. ডিম ভাজি কেমন হবে তা বোঝাতে জনৈক অফিসারের বক্তব্য, “শোন ডিমটারে ভালোমতো রগড়ায়ে নিয়ে আসবি। ঠিক আছে”?
৬. ম্যালিঙ্গারিং করে আমাদের ৫ জন সৈনিক একসাথে সিএমএইচে ভর্তি হলে তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় বক্সিং কম্পিটিশনে ভ্যাকেন্সি আনা হয়েছিল। দশাসই চেহারার ট্রেনার আর প্রতিপক্ষের রামঘুষি খেয়ে তারা পুরো ইউনিটের সামনে “ম্যালিঙ্গারিং’কে না বলুন” এর যোগ্য মডেল হয়েছিল।
৭. একটা ছেলে বসে বসে ট্রানসিলেশন পড়ছে। ইংরেজিটা কোনরকমে ঠিক থাকলেও বাংলায় আর আঞ্চলিকতা সামলাতে পারছে না:
হি ইজ এ গুড বয়, হি ইজ এ গুড বয় – উগ্গা এউগ্গা গম ফুয়া, উগ্গা এউগ্গা গম ফুয়া।
হি ইজ এ ব্যাড বয়, হি ইজ এ ব্যাড বয় – উগ্গা এউগ্গা ুানির ফুয়া, উগ্গা এউগ্গা ুানির ফুয়া।
*********
কৃতজ্ঞতা: মুশফিক (এমসিসি, ১৯৯২-১৯৯৮)
শেয়ার করুন


৬৫ টি মন্তব্য
ষোলও আইসা গ্যাছে। পিড়বার আগেই মিরা যাই। পরে ইঠা আইসা পিড়তাছি
[ জবাব দিন ]
দ্যাখ, যা ভালো মনে হয় আর কি…
।
[ জবাব দিন ]
কোয়ান্টিটি ও কোয়ালিটি দুইটাই ধইরা রাখার জন্যে …
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
সায়েদ ভাই
‘টুশকি’ নামটারে আপ্নে তো ব্র্যান্ড বানাইয়া ফেললেন। জিহাদ আসলে অচিরেই ‘টুশকি’ নামে একটা নতুন ইমো এড করতে কইতে হবে।
[ জবাব দিন ]
নতুন ইমোর অপেক্ষায় রইলাম। থ্যাংকস
।
[ জবাব দিন ]
আপনার টুশকি ইমো চইলা আসছে।
সহ আরো কিছু নতুন ইমো
:wink: এড করে দিয়েছে মইন।
খুব অল্প সময়ের মধ্যে
মইন কে অনেক ধন্যবাদ।
[ জবাব দিন ]
মঈন ও তোমাকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ
।
এইটার ফিলিংসই আলাদা
।
[ জবাব দিন ]
আমি ভাবতাছি অন্য জিনিস…
সায়েদ ভাই, মিশন শেষে আসার পরও দূরত্ব যতই হোক আমাদের(সিসিবির) কাছে থাকবেন তো…???
[ জবাব দিন ]
না থাকতে চাইলে আমরা উনার কাছে চলে যাবো।
[ জবাব দিন ]
কাছে থাকুন- (গ্রামীন ফোন)
[ জবাব দিন ]
উরিবাবা….শক্ত প্রশ্ন হয়ে গেল তো
।
অনেক কিছু লিখে আবার মুছে ফেললাম। শুধু এইটুকু বলতে চাই যে জীবনের বিভিন্ন সময় নিজেকে মনে হয়েছে “রং ম্যান ইন রং প্লেস”। কিন্তু ক্যাডেট কলেজকে নিয়ে কখনো এটা মনে হয়নি – কখনো হবেও না। এই অনুভূতি বেশ আগে কয়েকবার ব্যক্তও করেছি। দেশে ফিরে গেলে পরিবার-পরিজন-জীবিকা-দায়িত্ববোধ ইত্যাদির ধাক্কায় এখানের মতোন নিরবিচ্ছিন্ন সময় হয়তো দেয়া হয়ে উঠবে না, কিন্তু নির্দিষ্ট গ্যাপে হাজির থাকব ইনশাআল্লাহ।
কিছু কিছু জিনিস মনের সাথে খুব ভালো স্যুট করে যায়। আমার পরিচিতজনেরা জানে সেগুলো কি কি। আর আমি জানি সিসিবি ঠিক সেইরকম একটা জিনিস,
সেইরকম একটা জায়গা।
জয়তু সিসিবি।
[ জবাব দিন ]
আর আমার কাছে আসার জন্য সব্বার নিমন্ত্রণ রইল
।
[ জবাব দিন ]
যাক নিশ্চিন্ত হইলাম…চামে কিছু গুল্লি মারি…


ভাল কথা, গুলি কিন্তু উপরের দিকে মারছি…আনন্দ প্রকাশের প্যালেস্টাইন/তালেবান ইষ্টাইল!!!
[ জবাব দিন ]
@ জুনায়েদ
।
থ্যাংকস ব্রাদার
[ জবাব দিন ]
মামা আরেকটা আছেতো,
হি ইজ এ স্মার্ট বয়, হি ইজ এ স্মার্ট বয় – উগ্গা এউগ্গা লাল ফুয়া, উগ্গা এউগ্গা লাল ফুয়া।
[ জবাব দিন ]
গুড গুড…এই দলে দেখি আরও ট্রানসিলেশন আছে
।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
৭ নাম্বার টা পুরা



[ জবাব দিন ]
ওয়ে ওয়ে টুশকির এমো আইয়া পরছে

[ জবাব দিন ]
ওয়ে ওয়ে

[ জবাব দিন ]
সায়েদ ভাই আপনার জবাব নাই। আমি আবার ইমো দিতে পারিনা নইলে সব একসাথে দিয়ে দিতাম। ভাল থেকেন ভাইয়া।
[ জবাব দিন ]
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
[ জবাব দিন ]
ওয়ে ওয়ে ওয়ে……আইছে আইছে ইমো আইছে…


বস মজাক পিয়া পিরা গিলাম…
[ জবাব দিন ]
এইবার খানকতক ফ্রিন্টরোল দাও
।
[ জবাব দিন ]
সায়েদ ভাই এবং তার মজাদার টুশকি! কি দারুন কম্বিনেশন!

পুরা গুল্লি

[ জবাব দিন ]
আমি টুশকিরে ক্যান যে এত ভালা পাই
[ জবাব দিন ]
এইডাতো আমিও বুজতার্লামনা
।
[ জবাব দিন ]
এটা কি জিনিস, সায়েদ ভাই? একটু বুঝায়া দিবেন?
[ জবাব দিন ]
এইডার মানে হইল ডজিং করবার লইগা উছিলা বাইর করা……

মানে এক্টিং মারা আর কি…
[ জবাব দিন ]
আই হায়….ক্যাডেট কলেজে পোলাপান বিনা অসুখে অসুস্থতার ভান ধইরা হাসপাতালে যাইয়া রেস্ট করত না? সেইটারেই বলে “ম্যালিঙ্গারিং”। আমি তো মনে করছিলাম সবাই এইটা জানে
।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
টিটো, তোরে কি রবিন রোগে ধরসে নাকি???
[ জবাব দিন ]
নতুন ইমো…মজা লাগতাছে

[ জবাব দিন ]
রবিনাভাইটিস
???
[ জবাব দিন ]
ঝিকিঝিকি পম্পম
[ জবাব দিন ]
ছি ছি

কি যে কন আবি জাবি কথা বার্তা……
[ জবাব দিন ]
আরে আজিব খারাপ কি দেখলি?আমি তু খালি আনুন্দো প্রকাশ কর্লাম
[ জবাব দিন ]
ওই, কিসের মইধ্যে কি….??
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
:mad
:wink:

[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
সায়েদ ভাই
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
সামিয়ারে ধইরা একটা ধাতানি দেন সায়েদ ভাই, কমেন্ট করার সময় হয় হুমকি দেয় নাইলে স্মাইলি দিয়া কাম সারে। শেষ ব্লগ কবে লিখছিল ওরে জিগায়া দেখেন তো।
[ জবাব দিন ]
মন্তব্য পড়ার আগেই মন্তব্য লিখতে বসলাম। কারণ ওগুলো পড়তে পড়তে মন্তব্য “বহুমাত্রিকতা” পায়।
সায়েদ এইটা কি সিসিবির কারো উদ্দেশ্যে? বিএমএটা চাটিগা না হয়ে মির্জাপুর হলে ট্রান্সলেশন হতো “ইহা একটি …ল ছেলে”।
এইটা কেডা? জুনায়েদ?
এইডারে চিনছি। মাস্ফু। ঠিকনা?
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
সানাউল্লাহ ভাই,
মনে পইড়া গেল (বেয়াদবী হইলে মুইছা দিব)।
একটা জুক্স
এক ভদ্রলোক তার বৌয়ের জন্য বার্থডে গিফট হিসেবে অর্ন্তবাস দিবে বলে ঠিক করল। দোকানে যেয়ে সেলসগার্লকে আর সাইজ বোঝাতে পারে না। তখন সেলসগার্ল বলে, “ওকে, লেট মি হেল্প ইউ। এটা কি ডাবের মতোন”?
।
ভদ্রলোক: না।
: এটা কি জাম্বুরার মতোন?
: না।
: এটা কি নাশপাতির সাইজের?
: না।
: উমম…এটা কি আপেলের মতোন?
: না।
: তাহলে…এটা কি ডিমের মতোন?
খানিক চিন্তা করে ভদ্রলোক বলেন: হ্যাঁ। তবে ভাজা ডিমের মতোন
[ জবাব দিন ]
আর সবাই বলে খালি আমি নাকি খারাপ জোক্স কই। এইটা কি?
[ জবাব দিন ]
এইডা তো মজার জুক্স
। খালি একটু চানাচুর টাইপ আর কি :wink: ।
[ জবাব দিন ]
আমিও ভাজা ডিম দেখুম
[ জবাব দিন ]
সানাউল্লাহ ভাই, আমার চেহারা খারাপ বইল্যা আমারে অপমান করলেন…আপনি জানেন, ইন দ্যা ইয়ার নাইন্টিন…আমারে সবাই ‘কি কিউট বেবি!!’ কইত????
আমার দুর্বল জায়গায় (চেহারায়!! অন্য কিছু না…) হাত দেবার জন্য…আপনার…আপনার…নাহ্, সাহসে কুলাইল না!!! আপনার কাছে ‘রে ব্যানে’র সানগ্লাস চাই!!!
[ জবাব দিন ]
কস্কিরে?
[ জবাব দিন ]
@ জুনায়েদ, তুমি খালি বাইরেরটাই দেখলা, ভিতরেরটা না? নাহ সানগ্লাস আমারই লাগবো। আর
নিজের সম্পর্কে কোনো ক্যাডেট এইরকম সত্য কথা লিখে?
[ জবাব দিন ]
জুনায়েদের বুকের পাঠা আছে
।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এইডা এত ফাস্ট গিটার বাজায় ক্যান
[ জবাব দিন ]
আনন্দ বেশি তো, তাই ফাস্ট গিটার বাজায়।

[ জবাব দিন ]
হা হা

[ জবাব দিন ]