ভুলব আমি কেমন করে (ইউ টিউব লিন্ক)
ভুলব আমি কেমন করে
এই বেদনার শোক
আজ কেবলি এই হৃদয়ে
দুঃখ নদীর স্রোত
ভুলব আমি কেমন করে
এই বেদনার শোক
আজ কেবলি এই হৃদয়ে
দুঃখ নদীর স্রোত
ভুলব আমি কেমন করে (ইউ টিউব লিন্ক)
ভুলব আমি কেমন করে
এই বেদনার শোক
আজ কেবলি এই হৃদয়ে
দুঃখ নদীর স্রোত
ভুলব আমি কেমন করে
এই বেদনার শোক
আজ কেবলি এই হৃদয়ে
দুঃখ নদীর স্রোত
সিটিসেল সুপার কাপের ১ম সেমিফাইনালের ১ম লেগে মুখোমুখি হয়েছিল ঢাকা আবাহনী ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন। খেলা শুরুর আগে গ্যালারীর দৃশ্য দেখেই যে কোন ফুটবলপ্রেমীর মন ভরে ওঠার কথা, আর খেলা শুরুর পর দুদলই সেই দর্শকদের মন ভরানোর চেষ্টায় মেতে ওঠে। দুদলই পরিকল্পিত ও গোছানো ফুটবল খেলে। ১৬ মিনিটে ইব্রাহিম অসাধারন এক দূরপাল্লার শটে গোল করে আবাহনীকে এগিয়ে দেন। গোলের পরে আবাহনীর খেলার গতি কিছুটা পড়ে যায়,
বিস্তারিত»গতো কয়েকদিনে ব্লগের অনেকগুলো পোষ্ট পড়ে শেষ করলাম। কি যে নষ্টালজিক হয়ে পড়লাম কিছু লেখা পড়ে! ভাবতে অবাক লাগে যখন ক্লাস টুয়েলভে ছিলাম তখন কলেজের অথোরিটি এর ঠ্যালায় মনে হইতো কবে এই জেলখানা থেকে মুক্তি পাবো। আর এখন সেই জেলখানার জন্যই মনটা আনচান করে।
সবাই দেখি অনেক মজার কাহিনী শেয়ার করে। আমিও ভাবলাম একটা শেয়ার করি সব ভাইদের সাথে। তখন আমরা ক্লাশ টেন এ।
বিস্তারিত»আমার কাছে অনেক আগে পাওয়া কিছু ছবি আছে। পিসি ঘাটতে গিয়ে চোখে পড়ল। এই ছবিগুলার সাথে কিছু ডায়লগ ও ছিল।
বিস্তারিত»ক্যাডেট হিসেবে আমি ইভল্ভ্ করেছি একটি তুলনামুলকভাবে অসংবেদনশীল রসবোধ। অন্যান্য লোকজন যেই জোকে হেসে কুঁটিকুঁটি আমি তাতে হাসার কিছু পাইনা, আবার আমি যেই জোকে হাসি অন্যান্য লোকজন তা বোঝেই না। আমার অবজার্ভেইশন হচ্ছে জাতি হিসেবে ইংরেজরা তুলনামুলকভাবে আমাদের চেয়ে বেশী রসবোধসম্পন্ন। আমার এই হাইপথেসিস টেস্ট করার লক্ষ্যে আমি আমাকে হাসিয়েছে এরকম পাঁচটি জোক দিলাম। যদি আপনাদের না হাসায় তবে দাবী করা যেতে পারে বিগত পাঁচ বছরে আমার হাইলি সফেস্টিকেইটেড অ্যাকোয়ার্ড ক্যাডেট হিউমার সেন্সের শোচনীয় অবনতি ঘটেছে।
বিস্তারিত»অনেক দিন ধরে সিসিবিতে কোন কিছু লেখা হয়না। কোন এক অদ্ভূৎ কারণে আপনা আপনিই নিজে থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি বা গুটিয়ে গেছি। সিলেট থেকে যশোরে গিয়েছি প্রায় দেড় মাস। অনেক কিছু স্মৃতি হয়ে আছে সেখানকার। প্রায় প্রতি দিনই এমন কিছু ঘটতো যা নিয়ে মজার মজার ব্লগ লেখা যায়। আমার সহকর্মীরাও (ওনারাও এক্স-ক্যাডেট) আমাকে বলতেন ওই ঘটনাগুলো নিয়ে যেন আমি সিসিবিতে লিখি। আমিও প্রচন্ড উৎসাহী হই।
বিস্তারিত»১.
রওশন বেগম শুয়ে পড়েছিলেন, হঠাৎ ঘুম ভাঙলো ঠান্ডা বাতাসের ঝাপটায়। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে, বেশি জোরে নয়, তবে খোলা জানালা গলে সবেগে ঢুকে পড়ছে দক্ষিনা বাতাস। পায়ের কাছ থেকে কাঁথাটা টেনে নিলেন গায়ে, হাল্কা শীত শীত লাগছে তাঁর, জানালাটা বন্ধ করা দরকার।
রওশন বেগম মশারী থেকে বেরিয়ে এলেন, লাইট জ্বালিয়ে জানালা আটকালেন। দেয়াল ঘড়িতে সবে ১টা বাজে, ছোট ছেলেটা হয়তো এখনো ঘুমোয়নি, বউদের রুমেও দেখে আসা দরকার।
চোখে আমার এখন নগরের ঘুম।
কী গভীর সেই ঘুম! স্নায়ুগুলো যত
শ্রান্তক্লান্ত পথহারা পথিকের মত
পেয়েছে গহীনে তার হারানোর ধুম।
এখানেই শেষ হয় ভালোবাসাবাসি
লাল নীল স্বপ্নগুলো থমকে দাঁড়ায়
হতাশাকে না পাওয়া বিদায় জানায়
আনন্দ বেদনা শুয়ে থাকে পাশাপাশি।