প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-১
প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-২
প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-৩
রবিবার থার্ড পিরিয়ডের পর আমি আর স্বাতী চলে গেলাম লাইব্রেরীতে। ঐদিন আর ক্লাস ছিলনা। সাথে করে ল্যাব সংক্রান্ত কিছু নোটসও নিয়ে গেলাম যাতে বুঝতে পারে আমি কিছুটা প্রিপারেশন নিয়ে এসেছি। লাইব্রেরীতে জানালার পাশটায় যেখানে আলো বেশী ওখানে গিয়ে বসলাম, মুখোমুখি। প্রথম ল্যাব থেকে পড়াগুলো বুঝানো শুরু করল স্বাতী। আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত ওর দিকে তাকিয়ে ওর কথাগুলো মস্তিষ্কে গেঁথে নেয়ার চেষ্টা করতে থাকলাম। অনেক কিছু বুঝলাম, আবার কিছু বুঝলাম না। যেগুলো বুঝলাম না সেগুলো আবার বুঝিয়ে দিতে বললাম। একটু ভয়েই বললাম পাছে আবার না বিরক্ত হয়ে যায়। না, বিরক্ত হল না। আগ্রহী ছাত্র পেয়ে কিছুটা খুশীও হল মনে হয়। অথবা নিজের জ্ঞানটুকু ঝালিয়ে নেয়ার সুযোগ পেয়েও খুশী হতে পারে! আমার তাতে কি? আমি তো ওকে বিরক্ত না হতে দেখেই আনন্দিত। বাচ্চাদের যেমন করে সব কিছু আস্তে আস্তে করে বুঝিয়ে পড়াতে হয়, স্বাতীও ঠিক সেভাবেই আমাকে পড়াচ্ছিল। আমার ভিতরের বাচ্চা মানুষটা যেন আরও বাচ্চা হয়ে যেতে চাচ্ছিল। কখন যে সময় গড়ালো টেরই পেলাম না! ওর ভিতর সামান্য উশখুশ দেখতে পেয়ে একটু অবাক হলাম। কিছুক্ষন পর করে আশেপাশে চারদিক ফাঁকা হতে দেখে হঠাৎ করে বুঝতে পারলাম খাবার সময় হয়ে এসেছে! কাঁচুমাচু হয়ে বললাম, স্যরি! এখন খাওয়ার সময় হয়ে গেছে, আমার জন্য তোমার দেরী হচ্ছে। ঠোটের কোনে মুচকি একটা হাসি ঝুলিয়ে রেখে ও বলল, ইটস ওকে। ঐদিনের মত বিদায়ের আশু আভাসে মন খারাপ হয়ে গেল। আবার কাঁচুমাচু হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, বাকী পড়াগুলোর কি হবে? ঠোটের হাসিটাকে আগের মতই অক্ষুন্ন রেখে ও বলল- আফটার লাঞ্চ।
লাঞ্চ একসাথে করব নাকি করব না দ্বিধায় পড়ে গেলাম। একসাথে খাওয়ার কথা বললে যদি মাইন্ড করে বসে? এইসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে খেয়াল করলাম ও একপাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। বোকারা মাঝে মধ্যেই সাহসের কাজ করে ফেলে। আমিও সাহস করে বলে ফেললাম- চল, ক্যাফেতে খাই। খাওয়া শেষে দেখি স্বাতী পার্স থেকে টাকা বের করছে। আমি ঢোক গিলে বললাম- আমি দিয়ে দিই? ও বলল- আমার বিল তুমি কেন দিবে? আমি থতমত খেয়ে চুপচাপ মেনে নিলাম। কিছুক্ষণ পর লাইব্রেরীর জানালার পাশে আবার পড়া বোঝা পর্ব। সময় যে কারও জন্য থেমে থাকেনা তা বুঝতে দেরী হলনা। সবগুলো ল্যাবের পড়া বুঝে নেয়া হলনা বিকেলের মধ্যে। কপালের একপাশ ঢেকে দেয়া চুলের গোছাটুকু আলতো করে কানের পিছনে গুঁজে দিয়ে স্বাতী বলল- আমার তো এখন বাসায় যেতে হবে। কাল বাকীটুকু বুঝিয়ে দিব। মুখে বললাম- ঠিক আছে। আর মনে মনে বললাম শুধু কাল কেন, আমি হাজার বছর ধরেও বুঝতে রাজী। হলে গিয়ে কম্পিউটারে স্লো বিটের কয়েকটা গান ছেড়ে দিয়ে রুমের পিছনের প্রিয় বারান্দাটায় এসে চুপচাপ সারাদিনের ঘটনাগুলো মনে করে সুখ খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম। সন্ধ্যার আকাশটাকে অনেক দিন পর আজ খেয়াল করলাম। কলেজের মাগরিবের নামাজ শেষে ফার্স্ট প্রেপে যাওয়ার আগের মুহূর্তের রঙ্গীন আকাশটা যেন অনেক দিন পর আমার সাথে দেখা করতে এল!
পরের দিন এল, কয়েকটা ক্লাস হল, ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে যথারীতি স্বাতীর দিকে তাকালাম। দুপুর পেরিয়ে বিকেল চলে এল, আমাদের একসাথের পড়ালেখাও শেষ হল। মঙ্গলবারের পরীক্ষাটাও খুব একটা খারাপ হল না। ক্লাস আবার চলতে থাকল আপন গতিতে। মঙ্গলবারের ল্যাবের সময়টুকু ছাড়া আমরা আগের মতই দুটি বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করতে লাগলাম। একদিন স্যার এসে ল্যাব পরীক্ষার নাম্বার দিলেন। ২৫ এ ১৭ পেলাম। ক্লাসের ভালো ছাত্রদের তুলনায় খুব একটা ভাল না হলেও আমার জন্য অনেক ভাল। স্বাতী পেয়েছে ১৯। নাম্বার পেয়ে ওকে খুশী হতে বা দুঃখ পেতে দেখলাম না। হয়তো আরেকটু বেশী নাম্বার পেতে চেয়েছিল। ভালো ছাত্র-ছাত্রীরা যে কত নাম্বার পেলে খুশী হয় তা বোঝার সাধ্য আমার নাই। দেখতে দেখতে টার্ম ফাইনালও ঘনিয়ে আসতে লাগল। সমানুপাতিক হারে সামনের পরীক্ষাগুলোর জন্য আমার ভয় বাড়তে লাগল। সাথে এও বুঝতে লাগলাম আত্মসমর্পণের সময় হয়ে এসেছে। একদিন ল্যাবে বেশ সাহস সঞ্চয় করে স্বাতীকে বললাম- কেমিস্ট্রি আমি অনেক কম বুঝি, আমাকে বুঝিয়ে দিবা? কিছুটা দ্বিধান্বিত হয়ে গেল। সাথে সাথে বললাম, তুমি ল্যাব এক্সামের আগে আমাকে না পড়ালে তো আমি নির্ঘাত ফেল করতাম। এইবার লাবণ্যময়ীর মুখে হালকা একটা হাসি দেখতে পেলাম। বলল- ঠিক আছে। যুদ্ধ জেতার পর যুদ্ধজয়ী সেনাপতির অনুভুতি তখন কিছুটা হলেও বুঝতে পারলাম।
মঙ্গলবারের ল্যাব ছাড়াও অন্যান্য দিনগুলোতে লাইব্রেরীতে আমাদের দেখা হতে লাগল। কেমিস্ট্রির সাথে সাথে অন্যান্য সাবজেক্টে আমার দুর্বলতা বুঝতে পারলাম এবং সেটা যে স্বাতীকে জানানো দরকার তাও বুঝতে পারলাম। মায়েরা যেমন করে বাচ্চাদের আবদার মেনে নেয়, ঠিক তেমন করে স্বাতীও অন্যান্য সাবজেক্টের পড়া বুঝিয়ে দেয়ার আমার আবদার মেনে নিল। আস্তে আস্তে লাইব্রেরীর জানালার পাশের ঐ জায়গাটা মনে হয় একান্তই আমাদের হয়ে গেল। সারাদিন লাইব্রেরীতে একসাথে পড়াশুনা করি, দুপুরে একসাথে খাই, খাওয়া শেষে যে যার বিল মিটিয়ে দেই। বিকেলে স্বাতী বাসায় চলে গেলে আমি হলে এসে উদাস মনে গান শুনি, আকাশ দেখি, পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়া গাড়ি দেখি আর মানুষ দেখি। সন্ধ্যায় সারাদিনের পড়াটায় একবার চোখ বুলিয়ে নিই, তারপর রুমমেটদের সাথে গল্পে মেতে উঠি। মাঝে মধ্যে সবাই মিলে কম্পিউটারে একটা-দুইটা মুভিও দেখে ফেলি। পরদিন একই ভাবে আরেকটা দিন কেটে যায়। এভাবেই পরীক্ষা খুব কাছে চলে আসে। আমি কিংবা আমরা পড়ালেখায় আরও ডুবে যেতে থাকি। ভয়ে ভয়ে প্রথম পরীক্ষা দেই। খুব একটা খারাপ হয়না। একটা একটা করে বাকী পরীক্ষাগুলো চলে আসে! বসন্ত শুরু হয়ে ভ্যালেন্টাইন্স ডে কবে চলে যায় তা টেরও পাইনা! শেষ হয়ে যায় টার্ম ফাইনাল। সামনে আপাতত এক-দেড় মাসের অখন্ড অবসর। কিন্তু এই অবসর দিয়ে আমি কি করব? আগে কখনই পরের টার্ম শুরু হওয়ার জন্য এতটা আকুল হয়ে অপেক্ষা করিনি। সময় থেমে গেল এবং চলতেও শুরু করল। হঠাৎ একদিন জানতে পারলাম পরের সপ্তাহেই রেজাল্ট দিবে। রেজাল্ট পাওয়ার চেয়ে স্বাতীকে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা যে আমাকে আরও স্বপ্নীল করে তুলছিল সেটা বোধ করে কাউকে বলে দিতে হবেনা!
(চলবে)



৯২ টি মন্তব্য
একসাথে ফাইট দেবার মজাই আলাদা!! তাই না তানভীর ভাই…
যদিও জেবনে এই সখ পূরণ হইবো না…
জবাব দিন
একসাথে ফাইট দেয়া শুধু দেইখাই আসলাম, ফাইট আর দেয়া হইলনা! এইজন্য আমি লাইব্রেরীতে যাইতামই না!
জবাব দিন
“কলেজের মাগরিবের নামাজ শেষে ফার্স্ট প্রেপে যাওয়ার আগের মুহূর্তের রঙ্গীন আকাশটা যেন অনেক দিন পর আমার সাথে দেখা করতে এল!”
কথাটা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য অসংখ ধন্যবাদ।
দিন ছিলো সেই গুলি। সেই আকাশ গুলি অনেক খুজি, কিন্তু পাওয়া যায় না। তুই অদ্ভুত সুন্দর লিখছিস। চালিয়ে যা।
কিন্তু লিখাটায় বাস্তব অভিজ্ঞতার ছোয়া দেখা যাচ্ছে ??
জবাব দিন
নেমস…ওয়েলকাম ম্যান।

তুই তো আমার চেয়ে অনেক ভালো লিখস। তাড়াতাড়ি সিসিবিতে লেখালেখি শুরু করে দে!
বাস্তব অভিজ্ঞতার ছোয়া তো থাকবেই। তোদের দেখেই তো এইসব শিখলাম!
জবাব দিন
তানভীর ভাই এই পর্বটা মারাত্মক হইসে.
..লাইব্রেরী ফাইট..আহা.
..এইটা নিয়া অনেক চ্রম গপ্পো মনে পইরা গেল

তয় মিয়া আপনারে এক্কেরে ভেড়া বানাইলাইছেন…যদিও এইরকমই হয়…
জবাব দিন
চ্রম গপ্পো মনে পরলে তাড়াতাড়ি লেইখা ফালাও।
বোকা পোলাপাইন তো আজীবন ভেড়াই হয়!
অনেক ধন্যবাদ ফুয়াদ।
জবাব দিন
এরম ভেড়া হওয়ার মাঝেও সুখ…

আমি জীবনেও ভেড়া ইতে পারুম্না..
জবাব দিন
ভেড়া সব কি ডমেস্টিক নাকি? ফরেস্টি নাই ?
জবাব দিন
হুমমম, এরা তো দেখি পুরা কোপিষ্ট কাপল। এদের বাই-প্রোডাক্ট ক্যামন হইতে পারে ভাবতাছি?
লেখা পাংখা হইছে, আরও পাংখা হইছে লেখার নীচে “চলবে” কথাটা।
অফটঃ আমরা পড়াশুনারে কোপানো কইতাম, যারা বেশি কোপাইতো এরা ছিল “কোপিষ্ট”, বুঝ গেছে জিনিস্টা
জবাব দিন
হ। বুঝা গেছে। বালক বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা অবশ্য পড়াশুনারে পড়াশুনাই কই। কোপা- কুপি কই না…
জবাব দিন
ফয়েজ ভাই, ছাত্রী ভাল হইলেও ছাত্র তো ভালো না! আর ছাত্র তো পুরা কোপিস্ট না। দেখেন না, রাত্রে মুভি দেখে, আড্ডাবাজি করে!
ধন্যবাদ ভাইয়া।

আর মনে হয় চলবে না ভাইয়া, শেষ না করে শান্তি পাচ্ছিনা!
জবাব দিন
জবাব দিন
বস…স্বাতী আফার দোহাই লাগে…এই সিরিজটা তার্তারি শেষ কইরেন্না…আমার অনেক পছন্দের একটা সিরিজ…
জবাব দিন
আমারও
জবাব দিন
ফুয়াদ, শার্লী, বিশ্বাস কর, তোমাদের রেসপন্স দেখলে খুব ভালো লাগে। কিন্তু আমি ভাই আর পারতেছিনা। পাঁচদিন ধরে অফিসের পর বাসায় গিয়ে এভাবে লেখালেখি করা খুব কষ্টের! আর এভাবে আগাতে থাকলে আমি ফিনিসিংটা যেভাবে চেয়েছি সেভাবে দিতে পারবনা। আশা করি ব্যাপারটা বুঝতে পারবে।
জবাব দিন
হ ঠিক, তাওয়া গরম থাকতে থাক্তেই রুটি ভাইজা ফেল। পরে পাব্লিক নাও খাইতে পারে (টিপস দিলাম আরকি
)
জবাব দিন
ফয়েজ ভাই, দারুন টিপস!
জবাব দিন
মোটেও দারুন টিপস না..ফয়েজ ভাইর জন্য ওই জিনিস্টা চাইয়া রাখলাম..


তানভীর ভাই,বেশি কষ্ট হইলে আপনে উইক এন্ড গুলাতে লেইখেন…বাট কাহিনী এখন জমজমাট..এই অবস্থায় শেষ করার রাইট আপনার নাই…
টাইম নিয়া ধীরে সুস্থে চালায়া যান…আর পাব্লিক রেসপন্স??আমি আসি কি কর্তে??
জবাব দিন
ভাই এই পর্বটা অসাধারন হইছে
জবাব দিন
অনেক ধন্যবাদ শার্লী।
জবাব দিন
গল্প সেইরকম আগাচ্ছে তানভীর ভাই
চলুক না দৌড়াক
নেন একটা গান শুনেন
জবাব দিন
জবাব দিন
ছেলে স্ব্যাতা হবে…
জবাব দিন
জবাব দিন
ভইন, লাইব্রেরীর চিপায় না বইসা মাইঝখানের চেয়ার টেবিলে বইসা পইড়, তাইলে কিছুটা আরামে পড়তে পারবা
জবাব দিন
আহারে! আমার বোনটার কত কষ্ট! এত তাড়াতাড়ি হতাশ হইওনা! আরও ক্লাসটেস্ট আসবে, লাইব্রেরীতে একা না থাকার সুযোগও আসবে।
থ্যাঙ্কস সামিয়া।
জবাব দিন
এই দিন দিন না আরও দিন আছে, এই দিনেরে নিতে হবে সেই দিনেরও কাছে এএএএএএএএ।
জবাব দিন
জবাব দিন
মাহমুদ ভাই, অনেক ধন্যবাদ।
জবাব দিন
তানভীর … দুর্দান্ত হইছে … তবে পড়াশুনার দিকে মনযোগ বেশি হয়া যাইতেছে … লেখক ভাল ছাত্র হইলে যা হয় আর কি …
পড়াশুনা’র পাশাপাশি একটু দ্রুত কাজে লেগে গেলে ভাল হত মনে হয় …
জবাব দিন
তানভীর ভাই মনে হয় অনভিজ্ঞ…আপনেরা বিজ্ঞজনরা একটু আধটু সাহস আর টিপস-টুপস না দিলে ক্যাম্নেকি??
জবাব দিন
তাইফুর ভাই, লেখক তো ভাল ছাত্র না, স্বাতীই না ভাল ছাত্রী। এইজন্যই লেখক দ্রুত কাজে নেমে যেতে পারছেন না! তাছাড়া, এই ব্যাপারে লেখকের অভিজ্ঞতার ব্যাপক অভাব আছে।
ফুয়াদ, দারুন বলছ।
জবাব দিন
ডাইরেক্ট বাইলজি … হার্টের কাছাকাছি না গেলে কিন্তু পরে স্বাতী আজীবন মাষ্টান্নি হয়া থাইকা যাইব …
জবাব দিন
তাইফুর ভাই কি কলেজে ১০০ মিটারে যাইতেন্নি??দারুন স্প্রিন্ট আপনার…
জবাব দিন
জবাব দিন
এ্যাকশন, এ্যাকশন,
ডাইরেক্ট এ্যাকশন …
জবাব দিন
জ্বালিয়ে দাও..পুড়িয়ে দাও…
জবাব দিন
আর নয় পরাশুনা …
এবার হউক খা…শুনা …
(আগামী সাত দিন আমি ব্যান)
জবাব দিন
পাখি সব করে রব..
)
খাপো খাপো বলে…
( নেক্সট লাইন তাইফুরভাই বলেন…
জবাব দিন
শুধু খায় তানভীর
পড়াশুনার ছলে
জবাব দিন
জবাব দিন
:khekz
জবাব দিন
“কলেজের মাগরিবের নামাজ শেষে ফার্স্ট প্রেপে যাওয়ার আগের মুহূর্তের রঙ্গীন আকাশটা যেন অনেক দিন পর আমার সাথে দেখা করতে এল” জুস্ত জুস্ত আরও জুস্ত
গুরু আপ্নের লেখা পইরা একটা স্বাতীর লাগি বুক জলি যাইতেসে।
জবাব দিন
রাব্বি তোর বুখ তো দেখি খালি স্বাতি না … জলি’র জইন্যেও জ্বলি যাইতেছে …
জবাব দিন
জবাব দিন
জবাব দিন
জবাব দিন
রাব্বি, অনেক ধন্যবাদ।
স্বাতীর অপেক্ষায় তো আমিও আছি।
জবাব দিন
আরেকটা জোশ পর্ব লেখছিস দোস্ত । আস্তে ধীরে শেষ কর । খুবই ভাল হচ্ছে ।
জবাব দিন
দোস্ত, ধারাবাহিক গল্প পড়তেই আমার বোরিং লাগে, আর লিখতে গেলে কি অবস্থা চিন্তা কর।
থ্যাঙ্কস দোস্ত।
জবাব দিন
জবাব দিন
ধারাবাহিক না লেখার জন্য তোরে
জবাব দিন
তোর
দেওয়ারে
জবাব দিন
শুধু কমেন্ট পড়ে গেলাম…
রাতে পরে আইস্যা লেখ পইড়া কমেন্টামু নে…
জবাব দিন
জবাব দিন
শুধু কমেন্ট করার জন্য
জবাব দিন
অসাধারণ। ভাইয়া সেরকম হচ্ছে।
জবাব দিন
ধন্যবাদ তপু।
জবাব দিন
৫০ আমি করলাম।
সেরকম লেখা।
তয় আফসোস আমার স্বাতী ছিলো না কুনু।
জবাব দিন
থ্যাঙ্কস আমিন।
স্বাতী আমারও ছিল না!
জবাব দিন
এই পর্বটা খুব ভাল লাগল
“প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা” নামটা দেখে শুরুতেই মনে হয়েছিল শেষটা খুব রঙ্গিন
হবে। এখন পর্যন্ত তাই মনে হচ্ছে। এখন দেখা যাক তানভীর প্রহর শেষে কতটা রাঙ্গাতে পারে
জবাব দিন
ভাইয়া, অনেক ধন্যবাদ।
শেষটা রঙ্গীন হয় কিনা কে জানে? নাও তো হতে পারে!
জবাব দিন
প্রতিটা পর্ব পড়ি আর একটু একটু করে আফসোস বাড়ে।আহারে ফাইট দেয়ার মতো একটাও রিডিং পার্ট্নার ছিলো না। এ জীবন রাইখা কি হবে। যাই সুইসাইড কইরা আসি।
জবাব দিন
সুইসাইড কইরা কেমনে আসে?
জবাব দিন
দোস্ত, সুইসাইড শেষ হইছে?
জবাব দিন
স্বাতীর প্রেমে পইড়া যাইতেসি। তাড়াতাড়ি একটা কিছু করেন
জবাব দিন
আহারে, তাহার কি হইবে জিহাদ?
জবাব দিন
ধীরে বৎস্য, ধীরে।
জবাব দিন
জিহাদ : প্রেমে পড়লে স্বাতী টাইপ না, ওতো মাস্টারনি। চাঁদনি টাইপ মাইয়ার প্রেমে পইড়ো। ভ্যালেন্টাইন ডেতে এবিসির ভালোবাসার ক্যাফে অনুষ্ঠানে বাপ্পা আর চাঁদনি‘র আড্ডাবাজি শুনছিলা? আহ্! যেন দুরন্ত ঘোড়া, সামাল দেয়া কঠিন। ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার বেলা ১২টার খবরের পর পুনঃপ্রচার হবে। শুইনো।
তানভীর : প্রেমটারে লাইব্রেরি আর ল্যাব থেইক্কা বাইর করন যায় না? ধরো মুসলধারে বৃষ্টি দিনে রিকশায়…………..
জবাব দিন
আমি প্রায় পুরাটাই শুনেছিলাম…
জবাব দিন
অনেক ভাইবা দেখলাম সানা ভাই আসলে ঠিকই বলসেন। আমারও একটা দূরন্ত ঘোড়া দরকার
জবাব দিন
ছিহ… শ্যাষ ম্যাস জন্তু জানোয়ারের পিছে জিহাদ… নাহ… এইডাও দেক্তে হইলো আমারে…
আমি সুইসাইড খাইতে গেলাম।
কামরুল ভাই, আপনার সুইসাইড হইলে একটু সাইড দিয়েন, আমিও খাপো
জবাব দিন
লাবলু ভাই, প্রেম তো এখনও শুরুই হয়নাই। শুরু হইলেই না বৃষ্টি, জ্যোৎস্না- এইসব ব্যাপারগুলা আসবে।
সাজেশনের জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
পরের পর্বে এই ব্যাপারে খেয়াল রাখব অবশ্যই।
জবাব দিন
সিচুয়েশন-টা নিয়া আমার আর মারুফ ভাই (জেসিসি ‘৯৩)-এর কম্পোজিশনের একটা গান আছে। ওটার মাস্টারিং ফাইনালাইজ করে আপ্লোড দিমুয়ানে।
জবাব দিন
এত দিনে কিলিয়ার হইল নায়ক এক্স-ক্যাডেট…
দুই এক পর্বের মধ্যে মনে হয় আরও স্পষ্ট হবে যে, এটা ‘বেজ্ড অন ট্রু স্টোরি’…
সানা ভাইএর দাবীর সাথে একমত…
এছাড়াও একসাথে বইমেলা, বানিজ্যমেলা, সিনেপ্লেক্স এ মুভি…এসবও চাই…
জবাব দিন
ঐ + লিটনের ফ্ল্যাট
জবাব দিন
+ফ্ল্যাটের বেডরুম(আমি ব্যান)
জবাব দিন
জুনা, এইটা “বেজ্ড অন ট্রু স্টোরি” হইতে পারে, তবে লেখকের নিজের না!
জবাব দিন
কিন্তু ক্যাডেটের, এটা শিওর। নাইলে কলেজের আকাশের কথা আসে নাকি??
জবাব দিন
@তানভীর ভাই, ঠাকুর ঘরে কে রে? তানভীর ভাই কিন্তু কলা খাওয়া তো দূরের কথা, কলা কি জিনিস জানেই না!
জবাব দিন
হায় ভালোবাসা


তানভীর চালায়ে যা ভাই
দুর্দান্ত প্রেমময় হচ্ছে
জবাব দিন
হায় ভালোবাসা
থ্যাঙ্কু কাইয়ূম ভাই।
জবাব দিন
ওরে কতো কিছু মনে করাইয়া দিলি রে…… দোস্ত কঠিন হইতাসে লিখাটা ।
জবাব দিন
কতো কিছু মনে পড়ছে সেটা তো তোর বিচের ছবি দেখেই বুঝতে পারছি।
জবাব দিন
ওইগুলা তো
আমি দেশের কথা কইছি
জবাব দিন
রবিন, ধারাবাহিক লিখতে খুব কষ্ট!
তোর সিরিজটার কি হইল? পরের পর্ব কবে দিবি?
জবাব দিন
তানভীর ভাইইইইইইই, এত্তো ভালো লিখেন কেমনে??? আমিও তো অভ্র দিয়াই টিপি, কিন্তু খালি আবজাবই বের হয়
। প্রিয়তে যোগ না করে পারলাম নাহ।
জবাব দিন
ধুর ধুর! পোলায় বলে কি? যেইদিন তারেক বা ফয়েজ ভাইদের মত লিখতে পারব সেইদিন বইল্য আমি ভালো লিখি!
তোমার লেখা তো অনেক ভাল। তুমি সিসিবিতে একটু বেশি লেখালেখি শুরু কইরা দাও।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
জবাব দিন
তানভীর তুই রীতিমত গল্প কার হয়ে গেলি।
দোস্ত খুব ভাল লাগতেছে ……
মনের কথা বলতে আর কত দেরী করবি??
পরবর্তী পর্বে সেটা দেখতে চাই
জবাব দিন
তানভীর, সব পর্ব একসাথে পইড়া কমেন্ট করবো ভাবসিলাম…
এই ‘সোনা দিয়া বান্ধায়া রাখার মত’ লাইন দুইটা কো্ট না কইরা পারলামনা
জবাব দিন
উপস্থিত বুদ্ধি, ক্যাডেট বইলা কথা
জবাব দিন
জবাব দিন